ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’-এর যে খসড়া সংশোধনী প্রকাশ করা হয়েছে, সেটি কেবল একটি প্রস্তাবনা। এটি কোনো চূড়ান্ত সংশোধনী নয়। তাই খসড়া নিয়ে অনুমান, অপব্যাখ্যা বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্ত বা উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
আজ সোমবার বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিএসইসি জানায়, সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত, পরামর্শ ও আপত্তি গ্রহণের উদ্দেশ্যেই খসড়া সংশোধনীটি প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জাতীয় দৈনিক আমার দেশ, শেয়ার বিজ ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এ প্রকাশের পাশাপাশি কমিশনের ওয়েবসাইটেও দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে মতামত, পরামর্শ বা আপত্তি কমিশনের কাছে পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
কমিশনের ভাষ্য, সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী কোনো বিধিমালা প্রণয়ন বা সংশোধনের আগে অংশীজনদের মতামত গ্রহণ একটি বাধ্যতামূলক আইনগত প্রক্রিয়া। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই খসড়া সংশোধনীটি জনমতের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
বিএসইসি আরও জানায়, প্রাপ্ত মতামত, পরামর্শ ও আপত্তি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জনের পর বিধিমালাটি চূড়ান্ত করা হবে। এরপর সরকারি গেজেটে প্রকাশের মাধ্যমে এটি কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই প্রস্তাবিত সংশোধনী আনা হয়েছে। এর লক্ষ্য বিদ্যমান মার্জিন বিধিমালাকে আরও সহজ, বাস্তবসম্মত, ব্যবহারবান্ধব ও কার্যকর করা। অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সংশোধনী বিনিয়োগকারীবান্ধব হবে এবং পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে কমিশন।
এছাড়া গণমাধ্যমকে খসড়া সংশোধনী ও আইনগত প্রক্রিয়ার বিষয়টি যথাযথভাবে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়ে বিএসইসি বলেছে, এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ এড়ানো সম্ভব হবে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ
































Recent Comments