ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: শীতকালে খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি! বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। খেজুরের যেমন উপকারিতা রয়েছে তেমনি খেতেও সুস্বাদু। যেনে নেয়া যাক শীতে খেজুর খাওয়ার আশ্চর্যজনক উপকারিতা ও স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে।

দেশের বিখ্যাত আয়ুর্বেদ চিকিৎসক আবরার মুলতানির মতে, খেজুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই শীতকালে সর্দি-কাশির মতো রোগ এড়ানো যায়।
অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীদের শীতে অনেক সমস্যা হয়, এমন মানুষদের খেজুর খাওয়া উচিত। এজন্য শুকনো আদার গুঁড়ো বানিয়ে খেজুরের সঙ্গে মিশিয়ে খান, উপকার পাবেন। রাতে ঘুমানোর আগে কিছু খেজুর জলে ভিজিয়ে রাখুন এবং সকালে খেয়ে নিন। এতে করে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। রাতে খেজুর ভিজিয়ে সকালে দুধ বা ঘি দিয়ে খেলে শরীরে রক্তের অভাব দূর হয়। নিম্ন রক্তচাপ বা লো প্রেশারের সমস্যা থাকলে গরুর দুধের সঙ্গে ৩-৪টি খেজুর খান, রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে।
খেজুরে কোলেস্টেরল থাকে না। এতে চর্বির মাত্রাও অনেক কম। খেজুরে উপস্থিত এই সমস্ত উপাদান স্বাস্থ্য বজায় রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খেজুর শীতের কারণে সৃষ্ট মৌসুমী রোগের চিকিৎসায় দারুন কার্যকর। সেইসাথে খেজুরে রয়েছে চিনি, ভিটামিন এবং প্রোটিন, যা সুস্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি। প্রোটিনের পাশাপাশি ডায়েটারি ফাইবার এবং ভিটামিন B1, B2, B3, B5, A1 এবং C-তে সমৃদ্ধ খেজুর।
খেজুর স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বকের জন্যও উপকারি। এই ফলটিতে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ডি পাওয়া যায় যা ত্বককে মসৃণ করতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের যে সমস্যা দেখা দেয় তাও খেজুর প্রতিরোধ করে, অন্য কথায় বললে, খেজুরের অ্যান্টিএজিং বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। প্রতিদিন কয়টি খেজুর খাওয়া উচিৎ তা আমরা অনেকেই বুঝিনা। ডাঃ আবরার মুলতানির মতে, শীতকালে প্রতিদিন সকালে ব্রেকফাস্টে ৪-৫টি খেজুর খেলে শরীর যেমন উষ্ণ থাকে, তেমনি শক্তিও জোগায়।
তবে ওজন বেশি হলে খেজুর খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। কিডনি রোগীদের জন্য হাই পটাসিয়াম ক্ষতিকর হতে পারে। যাদের ডায়রিয়ার সমস্যা আছে, তাদের খেজুর খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। আপনি যদি ইতিমধ্যেই কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগে থাকেন তবে আপনার এটি খাওয়া এড়ানো উচিত। আয়ুর্বেদ অনুসারে, যাদের অ্যালার্জি আছে তাদেরও খুব সীমিত পরিমাণে খেজুর খাওয়া উচিত।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মৌ.
































Recent Comments