ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: সন্তানের সামনে কিছু কথা বলা উচিত নয়, কারণ এটি তাদের মানসিক বিকাশ ও আত্মবিশ্বাসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ভাইবোন বা অন্য কারো সাথে তুলনা করা। যেমন- “তোমার ভাই/বোন এর চেয়ে তুমি কম”, এ ধরনের কথা সন্তানের মনে হীনমন্যতা তৈরি করতে পারে। প্রতিটি শিশুই অনন্য এবং তাদের নিজস্ব গুণাবলী রয়েছে।
তুমি কত বোকা! এমন কথা বললে সন্তানের আত্মসম্মান ক্ষুণ্ণ হয় এবং তারা নিজেদের ব্যর্থ মনে করতে পারে, বরং ভুল থেকে শেখার জন্য উৎসাহিত করুন।
তোমার জন্য আমার জীবন নষ্ট হয়ে গেছে! এই ধরনের কথা সন্তানের মনে অপরাধবোধ ও দুঃখ তৈরি করতে পারে। তারা মনে করতে পারে যে তারা আপনার জীবনের বোঝা।
সন্তানের মনে চাপ ও ভয় তৈরি করে এমন কথা বলা উচিৎ নয়। সন্তানকে বলবেন না “তুমি যদি ভালো ফলাফল না করো, তাহলে তোমাকে আর ভালোবাসব না”!
ভালোবাসা শর্তের উপর নির্ভর করা উচিত নয়। এটি সন্তানের মনে চাপ ও ভয় তৈরি করতে পারে। তাছাড়া “তুমি আমার কথা শুনলে না, তাই আমি তোমাকে ছেড়ে চলে যাব” এই ধরনের কথাও সন্তানের মনে নিরাপত্তাহীনতা ও ভয় তৈরি করতে পারে। তারা মনে করতে পারে যে তাদের ভালোবাসা শর্তাধীন।
সন্তানের সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে ফাটল ধরাতে পারে এমন কথাও বলা উচিত নয়। যেমন- “তোমাকে আমি আর ভালোবাসি না“, ভালোবাসা শর্তহীন হওয়া উচিত।
তুমি পারবে না! তুমি সব সময়ই ব্যর্থ! এই ধরনের কথা সন্তানের আত্মবিশ্বাসকে দুর্বল করে দিতে পারে। তাদেরকে উৎসাহ দেওয়া উচিত, যাতে তারা নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে সাহস পায়। এই ধরনের কথা সন্তানের মধ্যে হতাশা ও আত্মবিশ্বাসের অভাব তৈরি করতে পারে। বরং তাদের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিন।
এছাড়াও সন্তানকে বলা উচিৎ না যে “তোমার কোনো কাজই ঠিক হয় না”।
এই ধরনের কথা সন্তানের মধ্যে নেতিবাচক self-image তৈরি করতে পারে। তাদের ভুল থেকে শেখার সুযোগ দিন।
সন্তানকে বলবেন না- ‘তুমি আমার মতোই অলস/মন্দ’। সন্তানের মধ্যে নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য জোরালো করে এমন কথা বলা উচিত নয়। বরং ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরুন।
উল্লেখ, সন্তানের সামনে ইতিবাচক ও উৎসাহব্যঞ্জক কথা বলা উচিত। তাদের ভুল থেকে শেখার সুযোগ দিন এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর চেষ্টা করুন।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এস.