ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম সাম্প্রতিক দর পতনে ব্যাপকভাবে কমে গেছে। এর মধ্যে দুই বছরের শেয়ারের দাম সর্বনিম্ন অবস্থানে চলে এসেছে সিমেন্ট খাতের দুই কোম্পানি। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

কোম্পানি দুইটি হচ্ছে- মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড এবং প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস লিমিটেড।
তথ্যমতে, আজ মেঘনা সিমেন্টের শেয়ার সর্বোচ্চ ৭০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৬৭ টাকা ৫০ পয়সা দরে কেনাবেচা হয়। শেয়ারটির ক্লোজিং মূল্য ছিল ৬৮ টাকা ৫০ পয়সা।
কোম্পানিটির আজকের ক্লোজিং মূল্য গত দুই বছরের মধ্যে শেয়ারের সর্বনিম্ন মূল্য। ২০২০ সালের ২ জুন ডিএসইতে শেয়ারটির দাম ছিল ৭৫ টাকা ৪০ পয়সা। গত বছরের জুলাই মাসে শেয়ারটির দাম বাড়তে থাকে। গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর ১০১ টাকা ৯০ পয়সায় উঠে। এর পর থেকে দাম কমতে থাকে শেয়ারের। গত ৮ মার্চ শেয়ারটির দাম ৬৯ টাকায় নেমে আসে। আজ শেয়ারটির মূল্য আরও ৫০ পয়সা কমে সেখান থেকেও নিচে নেমে এসেছে।
বসুন্ধরা গ্রুপের এই কোম্পানিটি ১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে আসে। এর পরিশোধিত মূলধন ২৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। আর শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৮৬ লাখ ৫১ হাজার। এই শেয়ারের ৪৯.৭৫ শতাংশ আছে উদ্যোক্তাদের হাতে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ৩৩.৪১ শতাংশ। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬.৮৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
সর্বশেষ বছরে কোম্পানিটি ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড সহ মোট ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৭৩ পয়সা। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৫ পয়সা। এই ইপিএসকে বার্ষিকীকরণ (Annualized) করলে দাঁড়ায় ১ টাকা ৯৩ পয়সা। তবে বছর শেষে প্রকৃত ইপিএস এর চেয়ে কম-বেশি হতে পারে।
এদিকে আজ প্রিমিয়ার সিমেন্টের শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে ৫০ টাকা থেকে ৫১ টাকার মধ্যে। শেয়ারটির ক্লোজিং মূল্য ছিল ৫০ টাকা ৮০ পয়সা। গত বছরের ২ জুন শেয়ারটির দাম ছিল ৬১ টাকা। পরবর্তী দাম বেড়ে গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর ৯৫ টাকা ৫০ পয়সায় উঠে। সেখান থেকে কমে আজ ৫০ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
কয়েকটি বড় শিল্প গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানিটি ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে আসে। এর পরিশোধিত মূলধন ১০৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। আর শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার। এই শেয়ারের ৪৭.১৫ শতাংশ আছে উদ্যোক্তাদের হাতে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ২০.২৬ শতাংশ। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩২.৫৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
সর্বশেষ বছরে কোম্পানিটি ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। আলোচ্য বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬ টাকা ১৮ পয়সা। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৭ পয়সা। এই ইপিএসকে বার্ষিকীকরণ করলে দাঁড়ায় ৪৯ পয়সা। তবে বছর শেষে প্রকৃত ইপিএস এর চেয়ে কম-বেশি হতে পারে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এস.

































Recent Comments