বৃহস্পতিবার, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeখেলা-ধুলাসাগরিকাদের সামনে ইতিহাসের হাতছানি
spot_img
spot_img

সাগরিকাদের সামনে ইতিহাসের হাতছানি

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: এই একটি ব্যাপারে কোচ পিটার বাটলার অন্যদের চেয়ে খানিকটা ভিন্ন। বাস্তবতা মেনে প্রত্যাশার পারদ চাপা দিয়ে রাখতে ভালোবাসেন তিনি। অন্যরা যেখানে ক্যামেরার সামনে জনপ্রিয় উত্তর দিতে অভ্যস্ত, সেখানে তিনি ঢাকা থেকেই বলে গিয়েছেন, ‘যে গ্রুপে দক্ষিণ কোরিয়া রয়েছে, সেখানে রানার্সআপ হতে পারলেই আমি খুশি।

অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে গ্রুপ ‘এইচ’ থেকে দুটি ম্যাচ জিতে এরই মধ্যে রানার্সআপ নিশ্চিত করেছেন সাগরিকারা। আজ বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় নিউ লাওস ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া।

ইতিহাসের হাতছানি সাগরিকাদের সামনে। ম্যাচটি জিতলে কিংবা ড্র করলে প্রথমবারের মতো বয়সভিত্তিক এ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেবে লাল-সবুজের মেয়েরা। হারলেও সুযোগ থাকবে, সেক্ষেত্রে গোলের ব্যবধান কম রাখার চেষ্টা করতে হবে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নারী দলের অবস্থান যেখানে ১০, সেখানে বাংলাদেশ ১০৪ নম্বরে। যদিও খেলাটি বয়সভিত্তিক দলের, তার পরও কোরিয়ানদের সঙ্গে বাংলাদেশের পার্থক্যটা আগেভাগেই বোঝানোর চেষ্টা করেছেন পিটার বাটলার।

‘কাগজে কলমে আমরা তাদের মানের নই। খেলার ফল যেটাই হোক, মাঠ ছাড়তে হবে সম্মান নিয়ে। ওরা উন্নয়নে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে। পরিকল্পনা আর সংগঠনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। আমি নিশ্চিত, ওদের খেলোয়াড়রা বাফুফের মতো তিন স্তরে আটকে থাকে না। এই টুর্নামেন্টে আমরা অনেক কিছু শিখতে এসেছি।

অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপে যেতে হলে বাংলাদেশের সামনে সমীকরণ
দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে আজ জিতলে কিংবা ড্র করলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে যেতে পারবে বাংলাদেশ।

হারলেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেক্ষেত্রে আটটি গ্রুপের রানার্সআপ দলগুলোর মধ্যে থেকে পয়েন্টস এবং গোল ব্যবধানে তৃতীয় থাকতে পারলে।

লাওস থেকে ভিডিও বার্তায় গালভরা কোনো বক্তব্য রাখেননি নারী দলের এ কোচ। তবে মাঠে নামার আগে একটি তথ্য সাগরিকা-তৃষ্ণাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিতে পারে। তাহলো যে স্বাগতিক লাওসকে তারা ৩ গোল দিয়েছিল, সেই তাদের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে কোরিয়া। এই গ্রুপটিতে বাংলাদেশ ১১টি গোল দিয়েছে আর হজম করেছে একটি, অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ১০ গোল দিয়ে কোনো গোল হজম করেনি। আজকের ম্যাচটিতে তাই কিছুটা রক্ষণাত্মক অবস্থায় দেখা যেতে পারে বাংলাদেশকে।

থাইল্যান্ডে আগামী এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হবে অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপ। যেখানে থাইল্যান্ড ছাড়াও অংশ নেবে ১১টি দল। এই মুহূর্তে এশিয়ার ৩২টি দেশ আটটি গ্রুপে ভাগ হয়ে বিভিন্ন দেশে বাছাই পর্ব খেলছে। সেখান থেকে চ্যাম্পিয়ন আটটি দল আর সেরা তিন রানার্সআপ দল আগামী বছর থাইল্যান্ডের টিকিট পাবে।

কোরিয়াকে আটকাতে পারলে আজই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে বাংলাদেশ। তবে হেরে গেলে অপেক্ষা করতে হবে বাকি সাতটি গ্রুপের রানার্সআপ দলের পয়েন্টস আর গোল ব্যবধানের গড় নিয়ে। এবার দেখা যাক অন্যান্য গ্রুপ থেকে রানার্সআপ হওয়ার সম্ভাবনা কাদের, তাদের পয়েন্টসইবা কেমন।

‘ডি’ গ্রুপে ভারত বা মিয়ানমার যারাই রানার্সআপ হোক না কেন তাদের পয়েন্টস ৬ হচ্ছে না, সেখানে বাংলাদেশ এরই মধ্যে দুই ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্টসে আছে। সুতরাং রানার্সআপের হিসাব থেকে ‘ডি’ গ্রুপ বাদ। বাকিদের মধ্যে ৬ পয়েন্টস নিয়ে রানার্সআপ পজিশনে রয়েছে চায়নিজ তাইপে (গ্রুপ সি ‍+৩), (ইরান গ্রুপ এফ +৩), জর্ডান (গ্রুপ জি +১১)। এদের মধ্য থেকে বাংলাদেশের গোল ব্যবধান অনেক এগিয়ে। তাই রানার্সআপ হয়েও সম্ভাবনাটা বেশ উজ্জ্বল।

গ্রুপ ‘এ’ থেকে উত্তর কোরিয়া ৬ পয়েন্টস আর ‍+২৫ গোল ব্যবধান নিয়ে এগিয়ে। গ্রুপ ‘বি’ থেকে রানার্সআপ দল বড়জোর ৫ পয়েন্টস পেতে পারে। তাই আজ শুধুই দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে গোল ঠেকানোর লড়াই চলবে আফঈদাদের।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments