ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: নিম্ন আয়ের এক কোটি পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির জন্য ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন ও ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ৪৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এসব ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন কেনা হবে। প্রতি লিটার ১৮৩ টাকা ৮৫ পয়সা দরে এ তেল কিনতে মোট ব্যয় হবে ৩৬৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পরিবহন খরচসহ টিসিবির গুদাম পর্যন্ত তেল সরবরাহ করবে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান শবনম ভেজিটেবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ঢাকা।
টিসিবির কার্ডধারী এক কোটি নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির লক্ষ্যে এ তেল কেনা হচ্ছে। ক্রয়ের অর্থের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের পাল্টা নিশ্চয়তা রয়েছে।
জানা গেছে, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে টিসিবির ভোজ্যতেল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ কোটি লিটার। এরই মধ্যে ৮৪ লাখ ১ হাজার ৮০২ লিটার ভোজ্যতেল কেনা হয়েছে।
অন্যদিকে, একই বৈঠকে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতি কেজি ৭৭ টাকা ৯০ পয়সা দরে এ ডাল কিনতে মোট ব্যয় হবে ৭৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে মসুর ডাল কেনার জন্য চারটি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। সবগুলো দরপ্রস্তাবই কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়। যাচাই-বাছাই শেষে সর্বনিম্ন গ্রহণযোগ্য দরদাতা প্রতিষ্ঠান বঙ্গ মিলার্স লিমিটেডের কাছ থেকে পরিবহন খরচসহ টিসিবির গুদাম পর্যন্ত ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে টিসিবির মসুর ডাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। এরই মধ্যে ৮ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনা হয়েছে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে টিসিবির মাধ্যমে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য ভর্তুকি মূল্যে ভোজ্যতেল ও মসুর ডাল সরবরাহের কার্যক্রমে নতুন করে মজুত যুক্ত হবে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম
































Recent Comments