শনিবার, ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআন্তজার্তিককয়েক লাখ বিদেশি কর্মীকে ছাঁটাইয়ের নির্দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের
spot_img
spot_img

কয়েক লাখ বিদেশি কর্মীকে ছাঁটাইয়ের নির্দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: মানবিক কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কয়েক লাখ বিদেশি কর্মীকে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চাকরি থেকে ছাঁটাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। শুক্রবার (১০ জুলাই) দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি নিয়োগকর্তাদের এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাঠিয়েছে।

মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সংস্থা (ইউএসসিআইএস) জানিয়েছে, টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাসের (টিপিএস) আওতায় থাকা হাইতির নাগরিকদের কাজের অনুমতির মেয়াদ শেষ হবে ২৪ জুলাই। এছাড়া ইথিওপিয়া, মিয়ানমার, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিকদের অনুমতির মেয়াদ ১৭ জুলাই পর্যন্ত বহাল থাকবে।

গত মাসে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনকে হাইতি ও সিরিয়ার নাগরিকদের টিপিএস সুবিধা বাতিলের ক্ষমতা বহাল রাখার পরই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে।

এ সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার হাইতিয়ান, ৬ হাজার ১০০ সিরীয় এবং আরও প্রায় ২০ হাজার অভিবাসী চাকরি হারানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ বা রাজনৈতিক সংকটের কারণে নিজ দেশে নিরাপদে ফিরতে না পারা বিদেশিদের মানবিক বিবেচনায় এই বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়।

তবে অনুমতির মেয়াদ বারবার পরিবর্তন হওয়ায় অনেক নিয়োগকর্তা বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। কেউ আগেভাগেই কর্মীদের ছাঁটাই করেছেন, আবার কেউ আইনি জটিলতার আশঙ্কায় সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।

আমেরিকান বিজনেস ইমিগ্রেশন কোয়ালিশনের আইনি উপদেষ্টা জ্যাকব মন্টি বলেন, টিপিএস এখনো পুরোপুরি বাতিল হয়নি। ইউএসসিআইএস আরও স্পষ্ট নির্দেশনা দিতে পারত। অনিশ্চয়তার কারণেই অনেক নিয়োগকর্তা সময়ের আগেই কর্মীদের চাকরিচ্যুত করেছেন।

বর্তমানে টিপিএস সুবিধাভোগীদের বড় একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসেবা, বৃদ্ধাশ্রম, উৎপাদন, নির্মাণ ও পরিবহন খাতে কাজ করছেন।

এদিকে হাইতি ও সিরিয়ার নাগরিকদের আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, টিপিএস সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্তটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, পূর্বপরিকল্পিত ও জাতিগত বিদ্বেষপ্রসূত।

অভিবাসী অধিকারকর্মীরাও এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট অনেক দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। ফলে এসব মানুষকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হলে তারা গুরুতর মানবিক সংকটে পড়তে পারেন।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments