
ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: আজ ১৬ নভেম্বর দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু করে ব্যাংকিং খাতের গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। আইপিও’র মাধ্যমে যেসব কোম্পানি লেনদেন শুরু করে সেগুলো প্রথমদিনে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি দেখা গেলেও এ ব্যাংকটির ক্ষেত্রে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে। এ কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। লেনদেনের প্রথমদিনেই ব্যাংকটির শেয়ার দর সর্বোচ্চ দরপতন অর্থাৎ ১০ শতাংশ কমে ৯ টাকায় অবস্থান করছে। এতো দুর্বল একটি কোম্পানিকে বিপুল পরিমাণ অর্থ মার্কেট থেকে উত্তোলনের অনুমোদন দিয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির মুখে ফেলেছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, আজ গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেনার জন্য ক্রেতাদের আগ্রহ তৈরি হয়নি। যে কারণে অতিরিক্ত সেল প্রেসার তৈরি হয়। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য মতে, ব্যাংকটির ১ কোটি ৩৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৬৪টি শেয়ার ৮ হাজার ৫৫২ বার হাতবদল হয় যার বাজার মূল্য দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ১৭ লাখ টাকা।
উল্লেখ্য, তৃতীয় প্রান্তিক (জুলাই’২২-সেপ্টেম্বর’২২) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস ব্যাপক পরিমাণ কমেছে। চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির আইপিও পরবর্তী শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩৬ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৯৪ পয়সা। অন্যদিকে তিন প্রান্তিক মিলিয়ে কোম্পানিটির আইপিও পরবর্তী ইপিএস মাত্র ৮৬ পয়সা। গতবছর একই সময়ে যার পমিরাণ ছিল ১.৯১ টাকা। অর্থাৎ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগে ইপিএস অনেক বৃদ্ধি দেখালেও তালিকাভুক্তির পর তা অনেক কম দেখানো হয়েছে।
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পুঁজিবাজারে ৪২ কোটি ৫০ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৪২৫ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। আজ লেনদেনের প্রথম দিনেই শেয়ার দর ফেসভ্যালুর নিচে নেমে এসেছে। এতে একদিকে সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগকারীদের ব্যাংকটির প্রতি যেমন আস্থা হারিয়েছে; অন্যদিকে আইপিও’র বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মু.
































Recent Comments