বুধবার, ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeকোম্পানি সংবাদজেএমআই সিরিঞ্জের দর অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখবে বিএসইসি
spot_img
spot_img

জেএমআই সিরিঞ্জের দর অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখবে বিএসইসি

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: হঠাৎ কোন কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেএমআই সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিক্যাল ডিভাইসেস লিমিটেডের শেয়ার দর। এ দর বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। দুই সদস্যের এই কমিটিকে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ার দর বৃদ্ধিতে ইনসাইডার ট্রেডিংসহ অন্যান্য কারণ খতিয়ে দেখে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে কমিশন।

৩১ ডিসেম্বর বিএসইসির উপ পরিচালক অহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়, একটানা দর বৃদ্ধির বিষয়টি বিএসইসির নজরে আসায় কোম্পানিটির বিরুদ্ধে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির উপ পরিচালক উম্মে সালামাকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্য হলেন,সংস্থাটির সহকারী পরিচালক ওয়ারিসুল হাসান রিফাত।

ডিএসই সূত্র মতে, অক্টোবরের ৪ তারিখ থেকে ডিসেম্বর,২০২০ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৪৫ টাকা বা ৫১ দশমিক ৪১ শতাংশ দর বেড়েছে। সর্বশেষ গত বুধবার ডিএসইতে ২২৭ টাকায় লেনদেন শেষ হয়েছে।

এদিকে দর বৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই থেকে কোম্পানিতে চিঠে দেওয়া হয়। জবাবে গত ২৭ ডিসেম্বর কোম্পানি পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দর বৃদ্ধির পেছনে কোনো রকম অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। তথ্য ছাড়াই কোম্পানিটির শেয়ার দর এভাবে বাড়ছে।

এদিকে সর্বশেষ প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮০ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ২২ পয়সা। আয় বাড়লেও শেয়ারের দর বাড়ছেই।

এ বিষয়ে কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ তারেক হোসাইন খান বলেন, বিএসইসি এমন একটি কমিটি গঠন করেছে বলে আমি শুনেছি। তবে দর বাড়ার পেছনে কোম্পানির কোন গোপন তথ্য নাই। দর বাড়া বা কমার পেছনেও তাদের কোন হাত নেই। যারা এর পেছনে কাজ করেছে তাদরকে ধরতে বিএসইসি এই কমিটি গঠন করেছে।

২০১৩ সালে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হয়েছে। বর্তমানে কোম্পানিটির অনুমোধিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২২ কোটি ১০ লাখ টাকা। কোম্পানিটি উদ্যোক্তাদের কাছে রয়েছে ৭৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে  ৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ শেয়ার।

কোম্পানিটি ২০১৯-২০২০ হিসাব বছরের জন্য ৩০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments