ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: বিভাগ, জেলা-উপজেলা ও ভূমি অফিসের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের পদবি পরিবর্তন হচ্ছে। তবে বেতন স্কেল একীভূত করা কিংবা সমন্বয় করা আপাতত সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, এটা করা হলে নতুন জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা অভিমত দিয়েছেন। রোববার ৬ মার্চ জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, সরকার কর্মচারীদের দাবি যৌক্তিক পর্যায়ে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি মনে করেন, কর্মচারীদের উচিত হবে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে কর্মে নিযুক্ত হওয়া। শিগ্গিরই যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

জানা যায়, কর্মচারীদের দাবি অনুযায়ী তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের মধ্যে ১৩তম বেতন স্কেলধারীদের পদবি পরিবর্তন করে সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ১৪তমদের উপসহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং ১৫তম বেতন স্কেলধারীদের পদবি উপসহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় এ প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে। তবে ১৪ ও ১৫তম বেতন স্কেলধারীদের সবাইকে ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করার দাবি পূরণ সম্ভব নয় বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, ১৪ ও ১৫তম গ্রেডকে ১৩তম গ্রেড দেওয়া হলে বাড়তি অর্থের প্রয়োজন হবে। তাছাড়া এখন যারা ১৩তম গ্রেডে আছেন তাদের বেতন আর বর্তমান যারা পদোন্নতি পাবেন তাদের বেতন প্রায় সমান হয়ে যাবে। ফলে এখানে নতুন করে বৈষম্য তৈরি হবে। তাছাড়া নতুন করে যারা ১৩তম গ্রেডে নিয়োগ পাবেন তারা নিয়োগ পেয়েই যে বেতন ভাতা পাবেন, দাবির প্রেক্ষিতে বেতন স্কেল উন্নীতকারীরা সমান বেতন পাবেন। তখন প্রশ্ন উঠবে কেউ নতুন যোগ দিয়েই যে বেতন পাচ্ছেন অন্যরা ১৫-২০ বছর চাকরি করে সেই বেতন পাচ্ছেন, এটা হতে পারে না। এ কারণে তহশীলদারদের বেতন স্কেল পরিবর্তন করে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। ফলে তা স্থগিত রাখা হয়েছে। সরকার জটিলতা এড়িয়ে সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে চায় বলেই আপাতত পদবি পরিবর্তনের দাবি পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বৈঠকে নেতারা পদবি পরিবর্তন করার দাবি মেনে কর্মবিরতি স্থগিত রাখার কথা বললেও পরে বিভাগীয় কর্মচারীদের বৈঠকে নেতারা সে কথা রাখতে পারেননি। ফলে কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এস.





























Recent Comments