শুক্রবার, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
HomeUncategorizedপুঁজিবাজারে থাকছে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ
spot_img
spot_img

পুঁজিবাজারে থাকছে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: আসন্ন (২০২০-২১) অর্থবছরের বাজেটে‌ পুঁজিবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দিতে যাচ্ছে সরকার। স্টেকহোল্ডার ও বিনিয়োগকারীদের দাবি মেনে নিয়ে এ সুযোগ আসতে পারে।

তথ্য মতে, বিভিন্ন পক্ষের দাবি মেনে নিয়ে শেয়ারবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দিতে যাচ্ছে সরকার। আগামী বাজেটে ১০ শতাংশ কর দিয়ে শেয়ারবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হচ্ছে। এ জন্য আয়কর অধ্যাদেশের নতুন একটি ধারা যুক্ত করা হচ্ছে।

ধারা অনুযায়ী, আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তালিকাভুক্ত স্টক, শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং সরকারি বন্ড ও ডিভেঞ্চারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ করা যাবে। তবে শর্ত হচ্ছে, তিন বছরের জন্য এই বিনিয়োগ করতে হবে। এর আগে বিনিয়োগের টাকা উত্তোলন করলে করদাতাকে সাধারণ হারে কর পরিশোধ করতে হবে।

স্টেকহোল্ডারদের পক্ষ থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে শেয়ারবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ার দাবি জানায় ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। এবং বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকরী ঐক্য পরিষদ।

ডিবিএর পক্ষ থেকে বলা হয়, পুঁজিবাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়ানোর জন্য অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া প্রয়োজন।অপ্রদর্শিত অর্থ ১:১ ভিত্তিতে বন্ড মার্কেট ও সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ করা হবে বলে অর্থমন্ত্রীকে দেয়া চিঠিতে উল্লেখ করে বিবিএ। এতে বলা হয়, বন্ডে বিনিয়োগ করা অপ্রদর্শিত অর্থ তিন বছরের জন্য ব্লক থাকবে এবং বন্ড এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে লেনদেন যোগ্য হবে।

অপরদিকে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের চিঠিতে বলা হয়, মহামারি করোনাভাইরাসজনিত ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কালো টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দিতে হবে।

এছাড়া বাজারসংশ্লিষ্ট সকল পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ থেকে শেয়ারবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগের বিষয়ে প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

উল্লেখ, করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আজ বৃহস্পতিবার ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিতে যাচ্ছে সরকার। এ বাজেটে আয়ের লক্ষ্যেমাত্রা ধরা হচ্ছে তিন লাখ ৮২ হাজার ১৬ কোটি টাকা। ফলে অনুদানসহ বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে এক লাখ ৮৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৫ দশমিক ৮ শতাংশ।

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments