বৃহস্পতিবার, ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআজকের সংবাদপুঁজিবাজারে হামি ইন্ডাস্ট্রিজের ৪ বছরের কার্যক্রম তদন্ত করবে বিএসইসি
spot_img
spot_img

পুঁজিবাজারে হামি ইন্ডাস্ট্রিজের ৪ বছরের কার্যক্রম তদন্ত করবে বিএসইসি

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হামি ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চার বছরের আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য বিষয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ লক্ষ্যে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে আদেশ জারির ৬০ দিনের মধ্যে অনুসন্ধান শেষ করে কমিশনে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন, সহকারী পরিচালক সৌরভ মল্লিক ও মোহাম্মদ রুমন হোসেন।

বিএসইসির আদেশে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজার ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে হামি ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির গত চার বছরের (অর্থবছর ৩০ জুন ২০২০ থেকে ৩০ জুন ২০২৩ পর্যন্ত) আর্থিক বিবরণী যাচাই, ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা ও কোম্পানিটির চলমান কার্যক্রম নিয়ে আশঙ্কা থাকলে তা নিরূপণ করা জরুরি। এই উদ্দেশ্যে নিচের টার্মস অব রেফারেন্স অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির আদেশে বলা হয়েছে, হামি ইন্ডাস্ট্রিজের ২০২০ থেকে ২০২৩ অর্থবছরের আর্থিক বিবরণীতে সম্পদ, দায়, শেয়ারধারীদের মূলধন (ইকুইটি), মুনাফা ও নগদ প্রবাহের সত্য ও সঠিক চিত্র উপস্থাপন করেছে কি না এবং আর্থিক প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড (আইএএস), আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড (আইএফআরএস) ও আন্তর্জাতিক অডিটিং স্ট্যান্ডার্ডের (আইএসএ) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল কি না, তা যাচাই করতে বলা হয়েছে।

কোম্পানির বিভিন্ন সম্পদ, যেমন—প্ল্যান্ট অ্যান্ড মেশিনারিজ, যন্ত্রপাতি ও ভবন, ভূমি ও ভূমি উন্নয়ন ইত্যাদির মালিকানা, প্রকৃত অস্তিত্ব ও ব্যবহারযোগ্যতা পর্যালোচনা; সম্পদগুলো কোনো ঘোষিত বা অঘোষিত ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা হয়েছে কি না; ব্যালেন্স শিটে দেখানো অগ্রিম, আমানত ও প্রিপেমেন্ট যাচাই; বিক্রয়, উৎপাদন খরচ, গ্রাহকদের কাছ থেকে নগদ গ্রহণ, হিসাবযোগ্য প্রাপ্য, নগদ ও নগদ সমমানের সম্পদ, মজুত পণ্য, কাঁচামাল ক্রয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে সত্যতা যাচাই; চলমান মূলধন প্রকল্প (ক্যাপিটাল ওয়ার্ক ইন প্রোগ্রেস) পর্যালোচনা; প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ চলমান কার্যক্রমে হুমকি আছে কি না, তা নিরূপণ করতে নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি।

এ ছাড়া কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে দেওয়া ৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকার ঋণ যাচাই; শেয়ার মূলধন, পুনঃবিনিয়োগ সংরক্ষণ তহবিল, ডেফার্ড ট্যাক্স, পরিশোধযোগ্য কিস্তি, ব্যয়জনিত দায়, প্রদানযোগ্য হিসাব, অগ্রিম ভাড়ার অর্থ, অবিতরণকৃত লভ্যাংশ, করের জন্য সংরক্ষিত অর্থ ও প্রয়োজনবোধে অন্য যেকোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/টি.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments