
ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক:
সম্প্রতি বাংলাদেশ ইন্ডাষ্টিয়াল ফাইনান্স কোম্পানী লিঃ (বিআইএফসি) এর তিনটি বিদেশী শেয়ার হোল্ডার কোম্পানী এবং একটি দেশি কোম্পানী বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের বরাবর উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন। কোম্পানী গুলোর পক্ষে সপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিষ্টার ওমর ফারুক এই আইনী নোটিশটি পাঠিয়েছেন। এই প্রতিষ্ঠান গুলি বিআইএফসি’র প্রায় ৫৫শতাংশ শেয়ারের মালিক।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের টিসমার্ট, মোবিল এ্যান্ড ফোর্বস, হংকং ভিত্তিক কোম্পানী ফাইভ কন্টিনেন্টাল লিঃ এবং দেশিয় প্রতিষ্ঠান পাইওনিয়ার ড্রেসেস লিঃ ২০০০ সালে বিআইএফসি’তে বিনিয়োগ করে। কিন্তু ২০১৫ সালে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইনান্স এর সাবেক এমডি ব্যাংক লুটেরা প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার) তার মালিকাধীন প্রতিষ্ঠান “সুকজা ভেঞ্চার” এর নামে প্রতিষ্ঠানটির মাত্র ৫% শেয়ার ক্রয় করে। অতঃপর বাংলাদেশ ব্যাংক এর কিছু দূর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার সহযোগীতায় প্রভাব খাটিয়ে বিআইএফসি’র তৎকালীন বৈধ বোর্ডকে ছলে বলে কৌশলে অপসারণ করে নিজের প্রতিষ্ঠান এবং বহিরাগত কিছু ব্যক্তির সমন্বয়ে একটি বোর্ড গঠন করে অদ্যাবধী বিআইএফসি’কে কক্ষিগত করে রেখেছে এবং এ প্রতিষ্ঠানটির থেকে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা তসরূপ করে।
সম্প্রতি দূর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন পত্রিকার অনুসন্ধানী রিপোর্ট অনুযায়ী তিনি যে ৩৫০০ কোটি টাকা লুট করে পালিয়ে গেছেন, এই টাকা তারই অংশ বিশেষ। আইনী নোটিশে আরো বলা হয়েছে, পিকে হালদার শুধু টাকা তসরূপ করেই খান্ত হননি, তিনি এবং তার নিয়ন্ত্রনাধীন অবৈধ বোর্ড কর্তৃক বিআইএফসি’তে বিদেশী বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান গুলির শেয়ার কুক্ষিগত করার পায়তারা করছে। এতে করে বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগ নিয়েও শঙ্কিত। তাই আইনী নোটিশে বিদেশী শেয়ার হোল্ডার প্রতিষ্ঠান গুলোর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের নিকট অনুরোধ করা হয়েছে – যেন আগামী ৩ দিনের মধ্যে পিকে হালদার এর এ্যাসোসিয়েটস এর অবৈধ বোর্ডকে অপসারণ করে ২০১৮ সালে এজিএম’এ প্রায় ৬৫ শতাংশ শেয়ার হোল্ডারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বোর্ডের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয় এবং পিকে হালদার এর তসরূপকৃত টাকা পুনোরূদ্ধারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অন্যথায় কোম্পানী এ্যাক্ট ১৯৯৪ অনুযায়ী যথাযথ আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
























Recent Comments