সোমবার, ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআন্তজার্তিকমাস্কের সম্পদ আবার ৮০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
spot_img
spot_img

মাস্কের সম্পদ আবার ৮০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ আবার ৮০০ বিলিয়ন বা ৮০ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়ে গেছে।

গত শুক্রবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের শেষ কর্মদিবস। শনি ও রোববার ছুটি। গত শুক্রবার স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ১১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১২৯ ডলারে ওঠে। ফলে এই কোম্পানির শেয়ারের দাম তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে যায়।

শেয়ারের এই উত্থানের ফলে ওই দিন শেষে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮২৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন বা ৮২ হাজার ৩৬০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। এর আগে স্পেসএক্সের শেয়ারে বড় দরপতনের কারণে গত ২৭ জুলাই মাস্কের সম্পদের পরিমাণ ৭০০ বিলিয়ন বা ৭০ হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে যায়। অর্থাৎ, দুই সপ্তাহের কম সময়ে তাঁর সম্পদ ১০০ বিলিয়ন বা ১০ হাজার কোটি ডলারের বেশি বেড়েছে।

গত সপ্তাহের শুরুতে ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে স্পেসএক্স। দেখা যায়, এক বছরে ত্রৈমাসিক ব্যয় প্রায় ছয় গুণ বেড়েছে। এ খবরে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম অনেকটা কমে যায়। সর্বশেষ প্রান্তিকে স্পেসএক্সের আয় হয়েছে ৭৮০ কোটি ডলার। যদিও ওয়ালস্ট্রিটের পূর্বাভাস ছিল, আয় হবে ৬৯০ কোটি ডলারের মতো। একই সময়ে কোম্পানিটির নিট লোকসান ১০০ কোটি ডলার থেকে কমে ৫৪ কোটি ১০ লাখ ডলারে নেমেছে।

প্রযুক্তি খাতের আরও কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের দাম অনেকটা বেড়েছে। পালানতিরের শেয়ার ৯ শতাংশের বেশি এবং মাইক্রোচিপ টেকনোলজির শেয়ারের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। মূলত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান কমে যাওয়ায় প্রযুক্তি খাতের শেয়ারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। প্রতিবেদনে জানানো হয়, জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান কমেছে ২৩ হাজার।

ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পর সম্পদমূল্য কমেছে

গত জুনে স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর ইলন মাস্ক বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার বা লাখ কোটি ডলারের মালিক হন। একপর্যায়ে তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ৪৫ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ ৪৫ হাজার কোটি ডলার পর্যন্ত উঠে যায়। পরে স্পেসএক্সের শেয়ারে বড় দরপতনের কারণে তাঁর সম্পদমূল্য দ্রুত কমে যায়।

ইলন মাস্ক স্পেসএক্সের প্রায় ৩৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক। ফলে কোম্পানিটির শেয়ারের দামের ওঠানামার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণও সরাসরি ওঠানামা করে।

স্পেসএক্সের সর্বশেষ প্রান্তিকে মূলধনি ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৩০ কোটি ডলার। এর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৫৮০ কোটি ডলার।

মাস্ক বলেন, স্পেসএক্সের বার্ষিক আয় ২০২৯ সালের মধ্যেই ১ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। যদিও আগে তিনি বলেছিলেন, ২০৩১ সালের মধ্যে স্পেসএক্সের আয় এই সীমা অতিক্রম করবে।

স্পেসএক্সের আয়ের প্রধান উৎসগুলোর একটি হলো স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্টারলিংকের আয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

উল্কার গতিতে উত্থান

গত কয়েক বছরে ইলন মাস্কের সম্পদমূল্য যেন উল্কার গতিতে বেড়েছে। ২০২০ সালে যে ইলন মাস্কের সম্পদমূল্য ছিল ২৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৪৬০ কোটি ডলার, সেই তাঁর সম্পদমূল্য ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ৫০০ বিলিয়ন বা ৫০ হাজার কোটি ডলার হয়ে যায়। এরপর চলতি বছরের ১২ জুন তিনি ট্রিলিয়নিয়ার হয়ে যান। ১২ দিনের জন্য তিনি এই খেতাব ধরে রাখেন। এরপর তাঁর সম্পদ আবার ট্রিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে যায়।

এদিকে মাস্কের সঙ্গে অন্যান্য শীর্ষ ধনীর ব্যবধান বাড়ছে। মাস্কের পরে যে চারজনের অবস্থান, তাঁদের সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ মাস্কের মোট সম্পদের চেয়ে কয়েক শ বিলিয়ন ডলার বেশি।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা ল্যারি পেজের সম্পদের পরিমাণ ২৯০ দশমিক ১ বিলিয়ন বা ২৯ হাজার ১০ কোটি ডলার। তৃতীয় স্থানে থাকা জেফ বেজোসের সম্পদ ২৮০ দশমিক ৬ বা ২৮ হাজার ৬০ কোটি ডলার। চতুর্থ স্থানে থাকা সের্গেই ব্রিনের সম্পদের পরিমাণ ২৬৭ দশমিক ৬ বা ২৬ হাজার ৭৬০ কোটি ডলার। পঞ্চম স্থানে থাকা মাইকেল ডেলের সম্পদের পরিমাণ ২৫০ দশমিক ৬ বা ২৫ হাজার ৬০ কোটি ডলার।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments