

তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে কোম্পানির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে, কোম্পানি ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিতে পারবে না। এই ক্যাশ ডিভিডেন্ডকে স্টকে রূপান্তরের কাজ চলছে। কিন্তু এজিএমে অনুমোদন হওয়া ক্যাশ ডিভিডেন্ড বিতরণ করা হয়েছে বলেও কোম্পানি যেখানে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সেখানে এ ধরণের কথা বলা এক ধরণের প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়। তাই বিষয়টি অতি দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এদিকে ডিভিডেন্ড ইস্যুতে কোম্পানির চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন কথা বলেননি। অন্যদিকে কোম্পানির চীফ অ্যাকাউন্ট অফিসার শাকিল আহমেদ ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকমের প্রতিনিধির সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করে অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করেন এবং দেখে নেওয়ার হুমকিও প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি এ.কে.এম মিজান-উর- রশিদ চৌধুরী জানান, সুহৃদ ইন্ডাষ্ট্রিজ নিয়ে এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারী কারসাজিতে জড়িত রয়েছে। কোম্পানিটি ডিভিডেন্ড ঘোষণার মধ্য দিয়ে কোম্পানির যোগসাজশে শেয়ার দর বাড়িয়ে ফায়দা লুটেছে। এখন ডিভিডেন্ড না দিয়ে প্রতারণা করছে যা ভুক্তভোগি বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির সম্মুখীন করছে। এ ব্যাপারে বিএসইসির দ্রুত অ্যাকশন নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।
চলবে…….
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মাজ./নি


























Recent Comments