
এছাড়া বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আইন অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত প্রতিটি কোম্পানিকে গ্রাচ্যুইটি ফান্ড গঠন করতে হবে। কিন্তু কোম্পানির নিরীক্ষক গ্রাচ্যুইটি ফান্ড গঠনের অস্তিত্ব দেখতে পায়নি। অন্যদিকে গ্রাচ্যুইটি ফান্ডের প্রভিশন রাখা হয়েছে। এদিকে ২০০৯ সালের পর সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স জমি, ভবনের পুন:মূল্যায়ন করেনি যা আইএএস-১৬ এর ৩৪ ধারার লঙ্ঘন। এ আইনে বলা হয়েছে, প্রপার্টি,প্লান্ট এবং ইক্যুইপমেন্টের পুন:মূল্যায়ন তিন বা পাঁচ বছরের বেশি হতে পারবে না। এ পর্যন্ত কয়েকবার পুন:মূল্যায়ন করার কথা থাকলেও কোম্পানিটি আইন লঙ্ঘন করে তা করেনি।
এ ব্যাপারে কোম্পানি সচিব মো: জাফর আলী ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকমকে জানান, কোম্পানির রিলেটেড পার্টির ট্রানজেকশনের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তবে অডিটর যেভাবে চেয়েছে সেভাবে করা হয়নি। গ্রাচ্যুইটি ফান্ডে ৫০ লাখ টাকা রিজার্ভ রয়েছে। গ্রাচ্যুইটি ফান্ডের কাজ চলছে। এছাড়া ২০০৫ সাল থেকে কোম্পানি প্রপার্টির ওপর মামলা চলছিল। যে কারণে এতোদিন পুন:মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়নি বলে জানান জাফর আলী।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মাজ./নি


























Recent Comments