ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: হার্ট অ্যাটাকের এখন কোনও বয়স হয় না। কমবয়সিরাও আচমকা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যেতে পারে। যে কোনও বয়সে আচমকা হার্টের অসুখ, চিকিৎসার সময় না দিয়েই রোগীর মৃত্যুতে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকেরাও। দুশ্চিন্তা, অত্যধিক উদ্বেগ হৃদরোগের অন্যতম কারণ। তাই সুস্থ থাকতে হলে জীবনে কিছুটা পরিবর্তন আনতেই হবে। হার্ট ভালো রাখতে রইলো তিনটি পরামর্শ:

১. শরীরচর্চা: সুস্থ থাকতে হলে শরীরচর্চার বিকল্প নেই। তবে সঠিক নিয়মাবলী না বুঝে শুধু শরীরচর্চা করলেই হবে না। কী ধরনের ব্যায়াম কত ক্ষণ ধরে করবেন এবং রোজই করবেন কি না এই বিষয়গুলো স্পষ্ট হওয়া জরুরি। রোজ নিয়ম করে আধ ঘণ্টা শরীরচর্চা করুন। খুব ব্যস্ততা থাকলে সকাল ও বিকাল দুই বেলা মিলিয়েও করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন নিয়ম করে শরীরচর্চা করুন। বয়সও শরীরের অবস্থা বিবেচনা করে ব্যায়াম করুন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিন।
হার্ট ভালো রাখার জন্য কার্ডিয়ো ব্যায়াম করা জরুরি। কার্ডিয়ো ব্যায়ামের মধ্যে অন্যতম হলো হাঁটা, দৌড়ানো বা ব্যাডমিন্টন খেলা। এছাড়া সাইকেলিং কিংবা সাঁতারও কিন্তু চমৎকার ব্যায়াম।
২. স্বাস্থ্যকর খাবার-দাবার: অস্বাস্থ্যকর খাবার হার্টের রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে স্বাস্থ্যকর খাবার থাকা অত্যন্ত জরুরী।হার্ট ভাল রাখতে সুষম খাবার খান। খাবারের তালিকায় রাখুন ঘরে তৈরি খাবার। যেমন, ভাত, রুটি, ডাল, সবজি, ডিম, মাছ, মাংস, ফলমূল, দুধ সব মিলিয়েই খেতে হবে। ডায়েটে রাখুন ডাল যা প্রোটিনের চাহিদা মেটাবে। খান প্রচুর সবুজ শাকসবজি যা ফাইবার, খনিজ, ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করবে। শর্করার চাহিদা পূরণে ভাত-রুটি তো ডায়েটে থাকেই। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের জন্য মাছ জরুরি। দুধ খেতে না পারলে ছানা, পনির, টোফু খেতে পারেন।
৩. মিষ্টি খাবার বর্জন: অনেকেরই খাবার শেষে একটু মিষ্টি না হলে চলে না। তবে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা মিষ্টি এড়িয়ে যাওয়ারই পরামর্শ দিয়ে থাকেন।তফাৎটা বুঝতে অন্তত দুই সপ্তাহের জন্য চিনি বন্ধ করে দেখতে পারেন। দেখবেন, অতিরিক্ত মেদ কমে গেছে শরীরে সেইসঙ্গে রক্তচাপের ওঠানামা কমছে। এছাড়া উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে সেটিও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/ই.


































Recent Comments