বৃহস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeখেলা-ধুলাহাল ছাড়ছেন না লিটন
spot_img
spot_img

হাল ছাড়ছেন না লিটন

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের ব্যাটিং সহায়ক উইকেট। যেখানে ২০০ রান তাড়া করাও অসম্ভব কিছু নয়, প্রমাণ আছে সাম্প্রতিক রেকর্ডে। তবে সেই সত্যি মানতে পারল না বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের ২০১ রানের জবাবে ১৬৪ রানেই গুটিয়ে গেল টাইগার বাহিনী, হারলো ৩৭ রানে। আজ রাত ৯টায় বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি। এই ম্যাচে হারলেই টাইগার বাহিনী সিরিজ হারবে। আর জয় তুলে নিতে পারলে টিকে থাকবে তিন ম্যাচের সিরিজে।

প্রথম ম্যাচে হারের পেছনে বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইনিংসের মধ্যের ওভারগুলোতে রান তুলতে না পারা। বিশেষ করে তাওহীদ হৃদয়ের মন্থর ব্যাটিং চোখে লাগার মতো ছিল। চতুর্থ ওভারে যখন তিনি ক্রিজে নামেন, তখন বাংলাদেশের রান ৩৭। ১৩তম ওভারে তার আউটের সময় বোর্ডে যোগ হয়েছে মাত্র ৬৫ রান। এই সময়টায় হৃদয় ২২ বলে করেছেন মাত্র ১৭ রান, বাউন্ডারি ছিল মাত্র একটি। একই সময়ে লিটন দাস ছিলেন ব্যতিক্রম। ৩০ বলে ৪৮ রান করে তিনি ফিরেছেন।

এরপর জাকের আলী অনিক ২০ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলেও ব্যবধান কমাতে পারেননি। বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ৪৫ রান তোলা বাংলাদেশ মধ্যের ১০ ওভারে সংগ্রহ করে ৮১ রান। তবে ওভার প্রতি দরকার ছিল ১০-এর বেশি রান। সেই চাপ সামলাতে পারেননি ব্যাটাররা।

বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদও। ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন, ‘এই সংস্করণে লক্ষ্য নির্ধারণ করে খেলতে হয়। ২০০ রান তাড়া করতে হলে কৌশলী হতে হয়। কিন্তু আমরা মধ্যের ওভারে গতি হারিয়ে ফেলেছিলাম। তখন ওভার প্রতি দরকার ছিল ১৩-১৪ রান, যা খুব কঠিন ছিল।

গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও বাংলাদেশ দলের ব্যর্থতার দিকেই আঙুল তুলছে। এই মাঠে সব শেষ পাঁচ ম্যাচে আগে ব্যাটিং করা দলের গড় স্কোর ১৯১, আর ছয় ম্যাচের মধ্যে চারটিতেই জিতেছে পরে ব্যাট করা দল। মুশতাক কূটনৈতিক ভাষায় ‘কৌশলগতভাবে কম স্মার্ট’ বললেও বাস্তবে তা ছিল স্পষ্ট ব্যাটিং ব্যর্থতা।

হৃদয়ের স্ট্রাইক রেট ছিল ৮০-এর নিচে, যা রান তাড়ার চাপ আরও বাড়িয়েছে। যদিও তার সামর্থ্যের প্রতি আস্থা রেখেই মুশতাক বলেন, ‘হৃদয় একজন ভালো ব্যাটার, সে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো ইনিংস খেলতে পারে। আজকের দিনে সে মোমেন্টাম পায়নি, তবে সামনে ভালো করবে বলেই আশা।

সিরিজে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে আজকের ম্যাচে। ব্যাটারদের জন্য এই ম্যাচে চাপটা কিছুটা বেশিই থাকবে। বিশেষ করে ইনিংসের মাঝামাঝি সময়টা নিয়ে ভাবার এখনই সময়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজ হারের পরে সেটিকে জীবনের অংশ বলে উল্লেখ করেছিলেন অধিনায়ক লিটন। দোষ দিয়েছিলেন রাতের শিশিরকে। শিক্ষা নেওয়ার কথাও তিনি বলেছিলেন।

পাকিস্তানের বিপক্ষে হারার পরে বলেছেন, ‘পুরো ম্যাচে আমরা ভালো বোলিং-ব্যাটিং-ফিল্ডিং করিনি।’ শুধু অনুশীলন নয়, মানসিক প্রস্তুতির দিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি, ‘ক্রিকেট শুধু অনুশীলন না, মানসিকভাবে বুঝে, পরিকল্পনা করে মাঠে প্রয়োগ করতে হয়।’ আজকের ম্যাচসহ দুই ম্যাচ এখনো বাকি। তাই হাল ছাড়ছেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক। বার্তা পরিষ্কার, ‘আমাদের ঘুরে দাঁড়াতেই হবে।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Price Sensitive Information (Dividend): eGeneration PLC.

Price Sensitive Information (Q3): Jamuna Bank PLC.

Price Sensitive Information (Dividend): Techno Drugs Ltd.

Recent Comments