ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক ও আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনে নীতি সহায়তার মেয়াদ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এক হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১৫ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের সুবিধা পাবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশনা দিয়েছে।
সার্কুলার অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে যেসব গ্রাহক অশ্রেণিকৃত বা খেলাপিমুক্ত থাকবেন, তারা বিশেষ পুনর্গঠন সুবিধার আওতায় আসবেন। অন্যদিকে যেসব গ্রাহকের ঋণ সাব-স্ট্যান্ডার্ড (এসএস), ডাউটফুল (ডিএফ) অথবা ব্যাড/লস (বিএল) পর্যায়ে রয়েছে, তারা পুনঃতফসিল সুবিধা পাবেন।
তবে এ সুবিধা নিতে প্রয়োজনীয় ডাউন পেমেন্ট গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, একক প্রতিষ্ঠান কিংবা গ্রুপ হিসেবে যেসব প্রতিষ্ঠানের ঋণের পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকার বেশি, তারা দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১৫ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের সুযোগ পাবে।
অন্যদিকে যেসব গ্রাহকের ঋণের পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকার কম, তারা দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পুনর্গঠন ও পুনঃতফসিল করতে পারবেন।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান—এককভাবে অথবা গ্রুপ হিসেবে—ইতোমধ্যে এক হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়ে নীতি সহায়তার সুবিধা পেয়েছে, তারাও পুনরায় সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত এ সুবিধা নিতে পারবে।
অর্থাৎ, কোনো প্রতিষ্ঠানের ঋণের পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকার বেশি হলে এবং তারা এরই মধ্যে ১০ বা ১২ বছর মেয়াদি পুনঃতফসিল সুবিধা নিয়ে থাকলেও নতুন করে আবেদন করে সেই মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ পাবে।
এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গত ৩০ জুন পর্যন্ত এ সুবিধার জন্য আবেদন করার সুযোগ ছিল। তখন গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে বড় অঙ্কের ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসা ও আর্থিক কার্যক্রম পুনর্গঠনের জন্য তুলনামূলক দীর্ঘ সময় পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম


































Recent Comments