ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: আমাদের প্রতিদিনের কাজ শেষে বাড়ি ফেরা, এর পর পরিবারের সব সদস্য একসঙ্গে বসে নাস্তার আয়োজন করা, এসব যেন নিত্যদিনের চিত্র। তবে নাস্তা করার চল এখন অনেকটাই কমে গেছে। আমাদের এখন ব্যস্ততম সময় পার করতে হয়। টিউশন, চাকরিজীবীদের অফিস শেষ করে বাসায় ফিরতে সন্ধ্যাও পার হয়ে যায়। কারণ নাগরিক ভিড় পার করতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘরে ফেরা সম্ভব হয়ে ওঠে না।। তারপরও বাসা-বাড়িতে সন্ধ্যার নাস্তা হবে না, তা কেমন করে হয়। নাস্তায় স্ন্যাকস, ভাজাপোড়া, মিষ্টি মিঠাই এবং তার সঙ্গে ঘরে বানানো বিভিন্ন আয়োজন থাকতে পারে। মূল অনুষঙ্গ চা বা কফি থাকবেই।
প্রতিদিনের নাস্তার যোগান নিয়ে অনেকে ভাবেন। কারণ একঘেয়েমি নাস্তা ভালো লাগে না। এর জন্য বৈচিত্র্য আনতে হবে সন্ধ্যার নাস্তায়। আপনার পছন্দমত ঝটপট মজাদার নাস্তা বানিয়ে ফেলুন। মাথায় রাখতে হবে বয়সের বিষয়টি অতিব গুরুত্বপূর্র্ণ। কাজ শেষে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পর স্বাস্থ্যকর, ক্লান্তি দূর করার কোনো আইটেম রাখা জরুরি। যেমন বিভিন্ন ফলের জুস, নুডুলস, পাস্তা, ফিরনি, স্যান্ডউউচ, সেমাই ঘরে বানিয়ে রাখতে পারেন। মাঝে মধ্যে বাইরে থেকে ভাজাপোড়ার বিভিন্ন আইটেমও রাখুন। আবার লুচি পরোটার সঙ্গে সবজি তরকারিও রাখতে পারেন। তবে রাতের খাবারও তো খেতে হবে। এর জন্য অল্প পরিমাণে খাবেন।
এখন বিভিন্ন ধরনের তৈরি নাস্তা পাওয়া যায়। যেমন নাগেটস, সমুচা, মিটবল ইত্যাদি। এসব প্যাকেট কিনে ঘরে ভেজে নিলেই হয়ে গেল। চাকরিজীবীদের জন্য সহজ। এতে করে ঝামেলাও কম হয়, সময়ও কম লাগবে। এসব খাবার শিশুরাও খুব পছন্দ করে থাকে।
তবে শিশুদের জন্য আলাদাভাবে নাস্তা না রাখতে পারলে স্বাস্থ্যসম্মত নাস্তা তৈরি করার চেষ্টা করতে পারেন। শিশুরা চিকেনের আইটেম খুব বেশি পছন্দ করে। তাদের জন্য বাসা-বাড়িতে সুসাস্থ্যকর খাবার বেশি উপযোগী। অসুস্থ বাবা, বৃদ্ধ লোক বাড়িতে থাকলে তাদের কথা একটু আলাদাভাবে ভাবতে পারেন। ভাজাপোড়া ও বাইরের তৈলাক্ত খাবার থেকে তাদের দূরে রাখতে হবে।
সবকিছুর রুটিন ছুটির দিনে একটু আলাদা থাকে। এদিন সন্ধ্যার নাস্তাটা বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে একটু জমকালোভাবেই করুন। কোথাও ঘুরতে গিয়ে খান, আলাদাভাবে বাড়িতেও আয়োজন করুন। আর অফিস শেষে চাইলে সন্ধ্যার ভোজ মাঝেমাঝে সেরে নিতে পারেন সহকর্মীদের সঙ্গে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.


































Recent Comments