রবিবার, ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeস্বাস্থ্য বার্তাসবসময় পা ঠান্ডা আর অবশ লাগে, গুরুতর রোগের লক্ষণ নয় তো?
spot_img
spot_img

সবসময় পা ঠান্ডা আর অবশ লাগে, গুরুতর রোগের লক্ষণ নয় তো?

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: সবসময় পা ঠান্ডা ও অবশ হয়ে থাকা পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (স্নায়ুর ক্ষতি) বা পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজের মতো গুরুতর দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যার কোনো লক্ষণ হতে পারে। যদিও শীতকালে পা ঠান্ডা লাগা একটি স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু গরমকালেও যদি আপনার পা ঠান্ডা থাকে, ঝিনঝিন করে কিংবা অবশ লাগে, তাহলে বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

অনেক সময় এটি শরীরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কোনো গুরুতর রোগের লক্ষণ হতে পারে। এটি সাধারণত কোনো সাময়িক সমস্যা নয়, তাই অবহেলা না করে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশে রক্ত ঠিকমতো পৌঁছানো খুবই জরুরি। কোনো কারণে পায়ের দিকে রক্ত চলাচল কমে গেলে পা ঠান্ডা লাগতে পারে। আবার স্নায়ুর সমস্যা থাকলেও পায়ে অবশভাব বা ঝিনঝিন অনুভূতি হতে পারে। অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকলেও এমনটি হতে পারে। কিন্তু সমস্যা যদি বারবার হয়, তাহলে পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন রোগের লক্ষণ হতে পারে—

১. ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে স্নায়ুর ক্ষতি হতে পারে। একে ডায়াবেটিস নিউরোপ্যাথি বলা হয়ে থাকে। ফলে পায়ে ঝিনঝিন ভাব, অবশ অনুভূতি ও জ্বালাপোড়া বা ব্যথা হতে পারে। অনেক সময় পায়ের ক্ষতও সহজে টের পাওয়া যায় না।

২. রক্ত চলাচলে সমস্যা

যদি পায়ের রক্তনালি সরু হয়ে যায় কিংবা রক্ত চলাচলে বাধা তৈরি হয়, তাহলে পায়ে পর্যাপ্ত রক্ত পৌঁছায় না। ফলে পা ঠান্ডা হয়ে যায়। হাঁটার সময় পায়ে ব্যথা ও পায়ের ত্বকের রঙ বদলে যাওয়া কিংবা ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়াও এ সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

৩. থাইরয়েড সমস্যা

থাইরয়েড হরমোন কমে গেলে শরীরের বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। ফলে সবসময় ঠান্ডা লাগা, ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি এবং হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৪. ভিটামিন বি১২ ঘাটতি

ভিটামিন বি১২ স্নায়ুর সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ভিটামিনের অভাব হলে পায়ে ঝিনঝিন, অবশ ভাব, দুর্বলতা ও ভারসাম্য বজায় রাখতে সমস্যা হতে পারে।

৫. রেনডস সিনড্রোম

এ সমস্যায় ঠান্ডা পরিবেশ বা মানসিক চাপের কারণে হাত ও পায়ের আঙুলে রক্ত চলাচল সাময়িকভাবে কমে যায়। ফলে আঙুল সাদা, নীলচে বা বেগুনি হয়ে যেতে পারে এবং অবশ লাগতে পারে।

পা সবসময় ঠান্ডা থাকে, বারবার অবশ কিংবা ঝিনঝিন লাগে, হাঁটার সময় পায়ে ব্যথা হয়, পায়ের ক্ষত সহজে শুকোয় না, পায়ের ত্বকের রঙ বদলে যায় এবং পায়ে অনুভূতি কমে যায়। এসব লক্ষণে সুস্থ থাকতে প্রতিদিন কিছুটা হাঁটাচলা বা ব্যায়াম করুন। আর ধূমপান এড়িয়ে চলুন। কারণ এটি রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। পুষ্টিকর খাবার খান এবং শরীরে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি আছে কিনা, তা প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। এ ছাড়া সবসময় পরিষ্কার ও আরামদায়ক জুতা পরুন এবং পায়ের নিয়মিত যত্ন নিন।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments