ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড ( ২০১৯ (পুনঃউপস্থাপিত), ২০২০ এবং ২০২১ সালের নিরীক্ষিত সমন্বিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত আর্থিক তথ্যে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয়, শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য এবং শেয়ারপ্রতি পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সমাপ্ত অর্থবছরের পুনঃউপস্থাপিত সমন্বিত আর্থিক প্রতিবেদনে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৩ টাকা ৪৩ পয়সা। আগের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৮ টাকা ২৭ পয়সা।
একই সময়ে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৫৫ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৫৫ টাকা থেকে কমেছে। অন্যদিকে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ ) হয়েছে ১৩ টাকা ২৪ পয়সা, যেখানে ২০১৮ সালে এটি ছিল ঋণাত্মক ২১ টাকা ৫৫ পয়সা।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, ২০১৯ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এর আগে প্রকাশ করা হয়েছিল এবং ওই বছরের বার্ষিক সাধারণ সভা ও সম্পন্ন হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, RRH (KPMG) পরিচালিত বিশেষ নিরীক্ষায় ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ ভিত্তিক বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম শনাক্ত হওয়ায় ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে ২০১৯ সালের আর্থিক বিবরণী পুনঃউপস্থাপন করা হয়েছে।
এদিকে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত সমন্বিত আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৫ টাকা ৯৮ পয়সা। আগের বছর পুনঃউপস্থাপিত হিসাবে এ লোকসান ছিল ২৩ টাকা ৪৩ পয়সা।
২০২০ সালে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ৯ টাকা ২৬ পয়সা, যেখানে ২০১৯ সালের পুনঃউপস্থাপিত হিসাবে তা ছিল ২৯ টাকা ৫৫ পয়সা। একই সময়ে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ হয়েছে ১২ টাকা ৪ পয়সা, যা আগের বছরের ১৩ টাকা ২৪ পয়সা থেকে কমেছে।
অন্যদিকে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত সমন্বিত আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৩ টাকা ৪৮ পয়সা, যা ২০২০ সালের ৩৫ টাকা ৯৮ পয়সা লোকসানের তুলনায় কম।
২০২১ সালের শেষে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ৩২ টাকা ৭৪ পয়সা, যা ২০২০ সালের ঋণাত্মক ৯ টাকা ২৬ পয়সা থেকে আরও অবনতি হয়েছে। এছাড়া সমন্বিত শেয়ারপ্রতি পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ হয়েছে ঋণাত্মক ২০ টাকা ৩৮ পয়সা, যেখানে আগের বছর এটি ছিল ১২ টাকা ৪ পয়সা।
কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, ২০২০ ও ২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজনের নির্ধারিত সময়সীমা ইতোমধ্যে অতিক্রম করেছে । ফলে ২০২২, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের সব বকেয়া আর্থিক প্রতিবেদন এবং সেগুলোর নিরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর এজিএম আয়োজনের অনুমতি চেয়ে সম্মানিত হাইকোর্টে আবেদন করা হবে।
হাইকোর্ট থেকে আয়োজনের অনুমতি পাওয়ার পর কোম্পানি রেকর্ড ডেট এবং বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখসহ প্রয়োজনীয় বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে বিনিয়োগকারীদের জানাবে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম





























Recent Comments