ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: রূপ ধরে রাখতে কিংবা মেদ ঝরাতে তেলের সঙ্গে দূরত্ব করে নেওয়াই ভালো মনে করেন অনেকে। এমনকি খাবারে তেল-মসলা কেবল শরীরের ক্ষতি করে না, ত্বককেও মলিন করে, মুখ ভরে যায় দাগ-ব্রণে। এ কথা তো সবারই জানা।
কিন্তু জানেন কি? এমন এক ঐতিহ্যবাহী রূপচর্চার বিধি— যেখানে সৌন্দর্য ধরে রাখতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় তেলকেই! এ পদ্ধতি নাকি বয়স কেবল থামিয়ে রাখে তাই নয়, নিয়মিত মেনে চলতে পারলে বয়স কমিয়েও দিতে পারে। আর এর মূল কারণ— এ পদ্ধতি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করতে পারে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের কারণে বলিরেখা, ত্বক ঝুলে যাওয়া এবং উজ্জ্বলতা কমে যাওয়ার মতো বার্ধক্যের লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
আর এ পদ্ধতির নাম হচ্ছে— অয়েল পুলিং। প্রাচীনকাল থেকেই এ রীতির অস্তিত্ব থাকলেও সাম্প্রতিককালে আবারও নতুন করে উঠে এসেছে চর্চায়।
এখন কীভাবে অয়েল পুলিং করা যায়, সেটিই প্রশ্ন—
সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত মাজার আগে করতে হবে অয়েল পুলিং। এর জন্য মুখের ভেতর এক টেবিলচামচ নারিকেল তেল কিংবা তিলের তেল নিয়ে ১০–২০ মিনিট ধরে ধীরে ধীরে কুলকুচি করতে হবে। তারপর ফেলে দিতে হবে। এরপর ভালোভাবে পরিষ্কার পানি দিয়ে কুলকুচি ও দাঁত মেজে নিলে মুখ থেকে দূর হয়ে যাবে তেলের গন্ধ-স্বাদ।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, যেভাবে কাজ করে অয়েল পুলিং—
প্রথমত দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যও ভালো থাকে অয়েল পুলিং প্রক্রিয়ায়। এটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের কারণে বলিরেখা, ত্বক ঝুলে যাওয়া এবং উজ্জ্বলতা কমে যাওয়ার মতো বার্ধক্যের লক্ষণ দেখা দেয়।
আর টক্সিনের চাপ কমাতে সহায়তা করে অয়েল পুলিং। তেল মুখের ভেতরে থাকা ব্যাকটেরিয়াসহ অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে সেগুলো অপসারণে সাহায্য করে।
দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহকে অকাল বার্ধক্যের একটি কারণ হিসেবে ধরা হয়। ২০২০ সালের একটি ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নারকেল তেল দিয়ে অয়েল পুলিং করলে মুখের প্রদাহ কমে। আর মুখের উপকারী জীবাণুর ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে অয়েল পুলিং।
দীর্ঘ সময় কুলকুচি করার ফলে মুখের পেশি সক্রিয় হয় এবং রক্তপ্রবাহ কিছুটা বাড়তে পারে, যা ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনতে সহায়ক হয়।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম





























Recent Comments