ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একই গ্রুপের দুই কোম্পানি—একটিভ ফাইন কেমিক্যালস ও এএফসি অ্যাগ্রো বায়োটেকের কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পৃথক পরিদর্শনে দুই কোম্পানির কারখানাতেই উৎপাদন না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার পরিদর্শক দল এএফসি অ্যাগ্রো বায়োটেকের কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে সেখানে কোনো ধরনের উৎপাদন বা স্বাভাবিক কার্যক্রম চলতে দেখেনি। তবে কারখানা বন্ধ থাকার কারণ সম্পর্কে কোম্পানির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এর আগে গত ২৫ জুন ডিএসইর আরেকটি পরিদর্শক দল একই গ্রুপভুক্ত একটিভ ফাইন কেমিক্যালসের কারখানা পরিদর্শন করে। সেখানেও উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার তথ্য পাওয়া যায়। ফলে একই গ্রুপের তালিকাভুক্ত দুটি প্রতিষ্ঠানের কারখানাই বন্ধ থাকার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এএফসি অ্যাগ্রো বায়োটেকের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ১১৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালক ছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে কোম্পানির ৭২ দশমিক ১৬ শতাংশ শেয়ার। বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৭ টাকা ৯০ পয়সা।
অন্যদিকে, ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একটিভ ফাইন কেমিক্যালসের পরিশোধিত মূলধন ২৩৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে। বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৭ টাকা ৩০ পয়সা।
বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানির উৎপাদন দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে তা প্রতিষ্ঠানের আয়, মুনাফা ও আর্থিক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি শেয়ারবাজারের প্রতি আস্থাও দুর্বল হতে পারে। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানের বড় অংশের শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে, সেসব কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ থাকা নিয়ন্ত্রক সংস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম





























Recent Comments