ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: আজকাল অল্প বয়সীদের মধ্যেও ডায়াবেটিসের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, অলসতা, অত্যধিক মানসিক চাপ— এসব বাড়াচ্ছে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি। যারা এ রোগে ভুগছেন তাদের খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। এমনকী ফল খাওয়ার বিষয়েও সাবধান থাকতে হয়। পুষ্টিগুণে ভরপুর পেঁপে শরীরের জন্য উপকারী হলেও ডায়াবেটিস রোগীরা কি খেতে পারবেন? কাঁচা না পাকা কোন পেঁপে তাদের জন্য উপকারী হবে তা জানানো হয়েছে ‘এই সময়ে’র এক প্রতিবেদনে।
ডায়াবেটিসে কি কাঁচা পেঁপে খাওয়া যায়?
কাঁচা পেঁপের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। এতে জটিল কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। এ কারণে কাঁচা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কোনও আশঙ্কা থাকে না। সাধারণত কাঁচা পেঁপেকে সবজি হিসেবে ধরা হয়। তাই অন্যান্য সবজির সঙ্গে কয়েক টুকরো কাঁচা পেঁপে রান্না করে খেলে কোনও ক্ষতি নেই। বরং এই সবজি সহজে হজম হয়। ডাল-তরকারিতে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। কাঁচা পেঁপেতে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ ও বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। সব মিলিয়ে কাঁচা পেঁপে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
পাকা পেঁপে খেলে কি একই উপকার পাওয়া যায়?
পাকা পেঁপে খাওয়া হয় ফল হিসেবে। এটি স্বাদে যেমন মিষ্টি, তেমনি শরীরের জন্য উপকারীও। পাকা পেঁপেতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা হজমের জন্য ভালো। তবে এই ফলে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৬০-এর আশপাশে থাকে। এ কারণে কাঁচা পেঁপের মতো একেবারে নিশ্চিন্তে পাকা পেঁপে খাওয়া ঠিক নয়। এতে ফাইবার, বিটা-ক্যারোটিন, লাইকোপেনের মতো উপাদান থাকলেও পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। কাঁচা পেঁপের মতো পাকা পেঁপেও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভীষণ উপকারী।
ডায়াবেটিসে পাকা পেঁপে খান নিয়ম করে
পাকা পেঁপের জুস না বানিয়ে গোটা ফল হিসেবে খাওয়াই ভালো। দিনে ১ কাপ (প্রায় ১০০–১৫০ গ্রাম) কাটা পাকা পেঁপে খাওয়া যেতে পারে। তবে শুধু পাকা পেঁপে খেলে অনেক সময়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে। এ কারণে প্রোটিন আর স্বাস্থ্যকর ফ্যাটজাতীয় খাবারের সঙ্গে পাকা পেঁপে খেতে পারেন। যেমন দই বা এক মুঠো বাদামের সঙ্গে পাকা পেঁপে মিশিয়ে খাওয়া যায়। এতে ফলের গুণও পাবেন, আবার সুগার লেভেলও বাড়বে না।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম






























Recent Comments