বৃহস্পতিবার, ২২শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআন্তজার্তিকচীন-রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য পারমাণবিক কৌশল সাজাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
spot_img
spot_img

চীন-রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য পারমাণবিক কৌশল সাজাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদরদপ্তর (পেন্টাগন) একটি বিশেষ কৌশল সাজাচ্ছে। এর লক্ষ্য রাশিয়া কিংবা চীনের সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে, পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে বিকল্পের সংখ্যা বাড়ানো।

কৌশলটি সম্পর্কে অবগত সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার এমন তথ্য জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম এনবিসি নিউজ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত কৌশলে দূরপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্রের ওপর নির্ভরতার বদলে স্বল্পপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্রকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

কৌশলটি তদারকি করছেন পেন্টাগনের নীতি বিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কলবি। সম্ভাব্য কোনো আঞ্চলিক সংঘাতে রাশিয়া বা চীন মার্কিন মিত্রদের ওপর হামলা চালালে, সে পরিস্থিতি মোকাবিলা করাই এই কৌশলের লক্ষ্য বলে জানিয়েছে এনবিসি।

মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা গণমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, কোনো পরিস্থিতিতে যত বেশি বিকল্প হাতে থাকবে, প্রতিরোধ সক্ষমতা তত বেশি জোরদার হবে। প্রেসিডেন্টের হাতে বাস্তবসম্মত পারমাণবিক বিকল্প যাতে থাকে, তা নিশ্চিত করতে এই কৌশল সাজানো হচ্ছে।

পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সীমিত রাখা নিয়ে এতদিন রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘নিউ স্টার্ট’ নামে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ছিল। প্রায় ছয় মাস আগে সেটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। এরপর পেন্টাগন নতুন কৌশল সাজাতে শুরু করে।

নিউ স্টার্ট চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়েছিল ২০১০ সালে। এর আওতায় উভয়পক্ষ সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৫০টি কৌশলগত পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং ৭০০টি পারমাণবিক অস্ত্রবাহী ব্যবস্থা মোতায়েন করতে পারত। গত ফেব্রুয়ারিতে মেয়াদোত্তীর্ণের পর চুক্তিটি আর নবায়ন করা হয়নি।

চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মস্কো বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ওয়ারহেডের সংখ্যা না বাড়ায়, তাহলে তারাও উত্তেজনা বৃদ্ধির মতো কোনো পদক্ষেপ নেবে না।

চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন। নতুন করে কোনো চুক্তির আগে তিনি ওয়াশিংটনকে নিউ স্টার্টের শর্ত মেনে চলার আহ্বান জানান। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, চীনকে অন্তর্ভুক্ত করে তিনি আরও ভালো চুক্তি করতে চান। কিন্তু বেইজিং এ ধরনের আলোচনায় যোগ দিতে আগ্রহ দেখায়নি।

চীনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারে বর্তমানে ৬০০টি ওয়ারহেড আছে। তাদের যুক্তি হলো- যেসব দেশের অস্ত্রভাণ্ডার সবচেয়ে বড়, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের প্রধান দায়িত্ব তাদেরই নেওয়া উচিত। এরপর মস্কো জানায়, কোনো ধরনের সম্প্রসারিত চুক্তিতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের মতো ন্যাটো সদস্যদেরও অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

ন্যাটোর ‘নিউক্লিয়ার শেয়ারিং’ ব্যবস্থার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করে রেখেছে। রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে এমন পদক্ষেপের সমালোচনা করে আসছে। তারা বলেছে, কোনো ন্যাটোভুক্ত দেশের ওপর মস্কোর হামলা করার ইচ্ছা নেই। তবে রাশিয়াকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র যেসব দেশে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করে রেখেছে, প্রয়োজনে মস্কো সেসব দেশকে লক্ষ্য করে পাল্টা অস্ত্র মোতায়েন করবে।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments