ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: জিবাজার ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বৃহত্তর স্বার্থে মার্চেন্ট ব্যাংক জিএসপি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
গত মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজার ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বৃহত্তর স্বার্থে জিএসপি ইনভেস্টমেন্টের বিরুদ্ধে নির্ধারিত কার্যপরিধির আলোকে অনুসন্ধান পরিচালনা করা প্রয়োজন বলে কমিশন মনে করেছে।
অনুসন্ধানের আওতায় প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নিবন্ধন সনদের শর্ত অনুযায়ী মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম যেমন ইস্যু ব্যবস্থাপনা, পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা, আন্ডাররাইটিং এবং নিজস্ব বিনিয়োগ কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে। এছাড়া গত পাঁচ বছরে মার্চেন্ট ব্যাংকার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও শর্তাবলি বজায় রাখা হয়েছে কি না, তাও পরীক্ষা করা হবে।
এছাড়া প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য গ্রাহকদের হিসাব, চুক্তিপত্র ও হিসাব বিবরণী সংরক্ষণ এবং সরবরাহের ক্ষেত্রে বিধিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে। একই সঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংকের দেওয়া মার্জিন ঋণ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিধি ও বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে।
বিএসইসির পাঠানো আদেশে বলা হয়, গত পাঁচ বছরের নিরীক্ষিত ও অনিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী, হিসাবের বই, সহায়ক নথি ও অন্যান্য আর্থিক তথ্যের পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি গত পাঁচ বছরে মার্চেন্ট ব্যাংকারের প্রকৃত নিট সম্পদের অবস্থা যাচাই, নিট সম্পদে ঘাটতির কারণ, অবাস্তবায়িত লোকসান, বিনিয়োগের অবচয় , নেগেটিভ ইকুইটি এবং অন্যান্য আর্থিক সমন্বয় বা সংশ্লিষ্ট যেকোনো কারণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। একইসঙ্গে এসবের কারণে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থার ওপর কী প্রভাব পড়েছে, তা মূল্যায়ন করা হবে।
এ ছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকারদের জন্য প্রযোজ্য আচরণবিধি অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা পর্যালোচনা করা হবে। অনুসন্ধানে কোনো অনিয়ম বা বিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সনদ বহাল রাখা বা নবায়নের বিষয়ে কমিশনের কাছে সুপারিশ করা হবে।
অনুসন্ধান আদেশে আরও বলা হয়েছে, তদন্ত চলাকালে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম, নথিপত্র, লেনদেন বা অন্য যেকোনো সংশ্লিষ্ট বিষয়, যা তদন্ত দলের মতে সিকিউরিটিজ আইন যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করা এবং পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হবে, তা পরীক্ষা করা হবে।
এ আদেশ জারির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান সম্পন্ন করে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ
































Recent Comments