মঙ্গলবার, ২৪শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআন্তজার্তিকহরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার দাবি ইরানের
spot_img
spot_img

হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার দাবি ইরানের

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা অর্থনৈতিক যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে দেশটি দাবি করেছে, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে টহলরত মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো লক্ষ্য করে একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের শীর্ষ নির্বাহী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহসিন রেজায়ী। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত আইআরজিসির কমান্ডার-ইন-চিফের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টেও বিষয়টি তুলে ধরেন রেজায়ী। সেখানে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ওয়াশিংটন একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা পেয়েছে। অর্থনৈতিক যুদ্ধের জবাবে শিগগিরই পারস্য উপসাগরজুড়ে অবরোধের পরিধি পর্যন্ত একটি সামুদ্রিক প্রবেশ-নিষিদ্ধ অঞ্চল ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের অভিযানগত অবস্থান মৌলিকভাবে পুনর্বিন্যস্ত করা হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, রেজায়ী ‘নতুন ক্ষেপণাস্ত্র’ বলতে কাসেম বসির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা বলেছেন। সম্প্রতি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে আইআরজিসি এই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভাষ্য, তাদের যুদ্ধজাহাজগুলো যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক গোলাবর্ষণে ইরানের প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি দেশটির আগে থেকেই সংকটাপন্ন অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এর পরও ইরান তার অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে হুমকি দেওয়ার এবং উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানোর মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধরে রেখেছে। এসব দেশেই মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

কাসেম বসির ক্ষেপণাস্ত্র

কাসেম বসিরকে উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে প্রচার করছে ইরান। দেশটির দাবি, এটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে আঘাত হানতে সক্ষম। এর দিকনির্দেশনা ব্যবস্থা ইলেকট্রনিক যুদ্ধের বিরুদ্ধেও কার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথমবার কাসেম বসির ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরান।

আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব ধীরে ধীরে কমে আসছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার চাপ মোকাবিলা করাও ইরানের জন্য ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে।

তবে এ ধারণার সঙ্গে দ্বিমত পোষণকারীরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান অভিযানে ইরানের সামরিক শক্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং অর্থনৈতিক চাপ দেশটির দুর্বল অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেললেও আইআরজিসি এখনও মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments