
ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও গতিশীলতা বৃদ্ধিতে
২০২২-২০২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেটে ৫টি প্রস্তাব জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। আজ ১৪ জুন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে অর্থমন্ত্রনালয় এ সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বাজেটে শেয়াবাজারের উন্নয়ন ও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে পরিশোধিত মূলধনের ১০% শতাংশের অধিক শেয়ার আইপিও’র মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলে সেই তালিকাভূক্ত কোম্পানীর জন্য করহার ২২.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি একটি যুগান্তকারী প্রস্তাবনা। পাশাপাশি পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও গতিশীলতা বৃদ্ধিতে চূড়ান্ত বাজেট অনুমোদনের সময় নিম্নলিখিত সুপারিশগুলো জানানো হয়েছে,
১। অপ্রদর্শিত অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ: অপ্রদর্শিত অর্থ ১০ শতাংশ কর প্রদান করে বিনা শর্তে শুধুমাত্র পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দিতে হবে। এতে পুঁজিবাজারে অর্থের যোগান বৃদ্ধি পাবে, পুঁজিবাজার গতিশীল হবে, বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হবে, দেশীয় শিল্প উন্নয়ন বৃদ্ধি পাবে। এতে সরকারেরও প্রচুর পরিমানে রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে।
২। কর্পোরেট ট্যাক্স কমানোঃ প্রস্তাবিত বাজেটে তালিকাভূক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানীর করহার ২.৫% কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু আমরা তালিকাভুক্ত কোম্পানীর করহার ১৫% করার জোর সুপারিশ করছি। এতে বহু নতুন ভালো প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী হবে। কোম্পানীগুলোর নীট মুনাফা বৃদ্ধি পাবে এবং লভ্যাংশ প্রদানের সক্ষমতা বাড়বে। যার ফলে পুঁজিবাজার গতিশীল হবে।
৩। লভ্যাংশের উপর ট্যাক্স: লভ্যাংশের উপর থেকে ট্যাক্স প্রত্যাহার করতে হবে।কোম্পানীগুলো লভ্যাংশের ঘোষণার পূর্বে সরকারকে অগ্রীম যে ট্যাক্স দিয়ে থাকে সেটাকে চূড়ান্ত ট্যাক্স হিসাবে গণ্য করতে হবে। ভাল লভ্যাংশ পাওয়ার আশায় তখন পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে আগ্রহী হবে। এতে পুঁজিবাজারের
বিনিয়োগ বাড়বে এবং পুঁজিবাজারের অস্থিরতা কমবে।
৪। লভ্যাংশ প্রদান: পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত অনেক কোম্পানী ভালো মুনাফা করা স্বত্ত্বেও উপযুক্ত লভ্যাংশ প্রদানে গড়িমসি করে। কোম্পানীগুলোর নীট মুনাফার নূন্যতম ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ হিসাবে শেয়ারহোল্ডারদের প্রদান করার ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি। উপযুক্ত পরিমাণ লভ্যাংশ পাওয়ার প্রত্যাশায় পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদী
বিনিয়োগ বাড়বে এবং পুঁজিবাজার স্থিতিশীল হবে।
৫। অর্থের যোগান: বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এতে পুঁজিবাজারের অর্থের যোগান বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া পুঁজিবাজারের দুঃসময়ে ঐ প্রতিষ্ঠানসমূহ পুঁজিবাজারকে
সাপোর্ট দিতে সক্ষম হবে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/নি.





























Recent Comments