
ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম বলেছেন, সামনে অনেক ভালো ভালো সংবাদ আসতে যাচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যেই এটিবি চালু হবে। এরপর সিএসই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করতে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আইসিবি এএমসিএল সিএমএসএফ গোল্ডেন জুবিলি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সহযোগিতা করলে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের সাইজ ৮ লাখ কোটি টাকা হবে। মিউচ্যুয়াল ফান্ডে যারা বিনিয়োগ করেন তাদের রিটার্ন পাওয়া একটা অধিকার। অথচ অনেকের মধ্যেই এই ধারণা রয়েছে যে এখানে বিনিয়োগকারীদের কিছু না দিলেও হয়। ফান্ডের টাকায় বেতন হবে, বিল হবে সব কিছুর খরচ হবে কিন্তু বিনিয়োগকারীদের কোন রিটার্ন দিবে না। এই চিন্তা এখন আর রাখা যাবে না। যারা বিনিয়োগ করবেন তারা রিটার্ন পাবেনই। বিনিয়োগকারিদের রিটার্ন দিতে হবে এখন থেকে।
তিনি বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড এখন ভালো রিটার্ন দিচ্ছে। সব কাটাকাটি করে ফিক্সড ডিপোজিটের চাইতে বেশি থাকে এখন মিউচ্যুয়াল ফান্ডে। এখন শুধু দরকার আস্থা। এভাবে সবাই যখন রিটার্ন দেয়া শুরু করবে তখনই বাজারে আস্থা ফেরত আসবে। যে বিপুল পরিমান মানুষ আস্থার অভাবে বাজারবিমুখ হয়েছে তারা আবার আস্তে আস্তে বাজারে ফেরত আসবেন। তখন দেখা যাবে এফডিআর থেকে মিউচ্যুয়াল ফান্ড বেশি জনপ্রিয়। সবাই মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করবেন।
বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, সামনে অনেক ভালো ভালো সংবাদ আসতে যাচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যেই এটিবি চালু হবে। এরপর সিএসই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করতে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো টাকা নিয়ে গেছে কিন্তু রিটার্ন দেয় না। ইতোমধ্যে আমরা কোম্পানিগুলো ডেকে নিয়ে আসি এবং জানতে চাই আপনারা বেতন পাচ্ছেন? কর্মচারীদের বেতন দিচ্ছেন বলছে দিচ্ছি তাহলে বিনিয়োগকারীরা কি দোষ করছে? তারা রিটার্ন পাবে না কেন? একজন্য আমরা সিএমএসএফ গঠন করেছি। যারা বিনিয়োগকারিদের রিটার্ন দিবে না তাদের সমস্যা সমাধান করা হবে। এতে করে বাজারে বিনিয়োগ আসবে।
তিনি বলেন, জাপানের সাথে আমাদের আলোচনা হয়েছে একটা রোড শো করার ব্যাপারে। তারা খুব আগ্রহী আমাদের দেশে বিনিয়োগ করতে। এখন আমাদের তাদের বুঝাতে হবে কেন তারা এখানে বিনিয়োগ করবে। আশা করছি জাপান থেকে আমরা বিনিয়োগ পাবো। সিএমএসএফকে এমন ভাবে সাজানো হয়েছে এখান থেকে টাকা খোয়া যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। এটাকে সেভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। সুতরাং সন্দেহ করার কিছু নেই।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, জাহানারা ইমামের মত মহীয়ুষী নারি পুঁজিবাজারের সাথে সম্পৃক্ত ছিলো জেনে খুব ভালো লাগছে। সিএমএসএফের এমন কাজকে আমরা অভিনন্দন জানাচ্ছি। নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারা তাদের কাজগুলো সুন্দর ভাবে করে যাচ্ছে। সামনে আরো ভালো কাজ করবে সে আশা রাখছি কারণ এই খাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আমরা নিচ্ছি।
অনুষ্ঠানে চেয়ার অব দ্য প্রোগ্রাম ছিলেন সিএমএসএফের চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ ও ড. মিজানুর রহমান, মো. ইউনুসুর রহমানসহ অনেকে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/নি.


































Recent Comments