
ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেক হোল্ডার রেগুলেশনসের সংশোধনীতে নিরাপত্তা জামানত হিসেবে ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ৫০ লাখ টাকা জমার বিধান রাখা হয়েছে। তবে ব্রোকারেজগুলো টাকা না দিয়ে ডিএসইতে তাদের শেয়ারকে জামানত হিসেবে গণনার দাবি তুলেছে।
ব্রোকারদের দাবি আমলে নিয়ে কাজও করছে ডিএসই। আর এসব কারণেই জামানত জমা দেয়ার মেয়াদ আরেক দফা বাড়িয়েছে সংস্থাটি। ব্রোকারেজ হাউজগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিই বরাবর রোববার এক চিঠিতে সময় বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘পুঁজিবাজারের বৃহত্তর স্বার্থে সংশোধিত ট্রেক হোল্ডারস মার্জিন রেগুলেশন মেনে চলার জন্য ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।’
অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামানত জমা না রেখেই কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও আইনের ব্যত্যয় হবে না।
২৪ এপ্রিল গেজেট আকারে প্রকাশিত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ট্রেক হোল্ডারস মার্জিন) রেগুলেশন, ২০১৩-এর সংশোধনীতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক সাধারণ ব্রোকারেজ হাউজকে সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে ৫০ লাখ টাকা জমা রাখতে হবে। আর মার্জিন লোন দিলে বা প্যানেল ব্রোকার হিসেবে কাজ করতে হলে (আইনে যেটাকে ‘হোলসেল ব্রোকার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে) অতিরিক্ত ৫০ লাখ টাকা অর্থাৎ মোট এক কোটি টাকা জমা দিতে হবে।
এ বিষয়ে আরও বলা যায়, ‘উপ-ধারা ১- এর অনুযায়ী নিরাপত্তা আমানত নগদ বা মার্জিনেবল সিকিউরিটিজে রাখা যাবে। যার ওপর স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়ন্ত্রণ বা অধিকার থাকবে। ট্রেক হোল্ডার কোম্পানিগুলো ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্টের অর্থ পরিশোধে অনিয়ম করলে ওই সম্পদ ব্যবহার করে তা নিষ্পত্তির ক্ষমতা থাকবে ডিএসইর।’
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মু.
































Recent Comments