শনিবার, ২২শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeখেলা-ধুলাশান্তর জায়গায় আমিও ছিলাম: লিটন দাস
spot_img
spot_img

শান্তর জায়গায় আমিও ছিলাম: লিটন দাস

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: আফগানিস্তানকে বিধ্বস্ত করে ১৪৬ বছরের টেস্ট ইতিহাসে রানের দিক থেকে তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের কৃতিত্ব নাজমুল হোসেন শান্তকে দিচ্ছেন অধিনায়ক লিটন দাস। বাংলাদেশের বিশাল জয়ে ম্যাচ-সেরা হয়েছেন জোড়া সেঞ্চুরি করা শান্ত। এই বাঁহাতি ব্যাটার করেছেন ২৭০ রান। আর আফগানরা এই টেস্টে করেছে ২৬১ রান। এতে অধিনায়কের প্রশংসাও আদায় করে নিয়েছেন শান্ত।

শান্তর ধারাবাহিক রান করার পেছনে ওর প্রসেসের পরিবর্তন দেখছেন লিটন। এক বছর আগেও ধারাবাহিক খারাপ পারফরম্যান্স করে যাচ্ছিলেন শান্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমাগত ট্রলের শিকার হওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত তখন রেহাই পাননি। ব্যাটিং কিংবা ফিল্ডিংয়ে গ্যালারি থেকে ছুটে আসতো দর্শকদের তির্যক মন্তব্যের স্রোত। লিটনও একই রকম সময় পার করে এসেছেন।

শান্তকে নিজের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার পরামর্শ দিয়ে লিটন বললেন, ‘দেখেন, শান্তর জায়গায় আমিও ছিলাম কিছুদিন আগে। শান্তর সঙ্গে আমার অনেক কথাবার্তা হয়েছে আগে। জনি না কতটুকু হেল্প হয়েছে তার। আমি যেটা বিশ্বাস করি, তার অনুশীলনের পদ্ধতিতে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আগে যেভাবে অনুশীলন করত, তার থেকে একটু গোছানো এখন।

শান্তর পরিবর্তন নিয়ে লিটন বলেন, ‘আপনি যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে থাকবেন, অনেক কিছু জানবেন। আপনার সমস্যা কী হচ্ছে, কোন জায়গা আপনার শক্তি, কোন জায়গায় দুর্বল—এ বিষয়গুলো ভালোভাবে খুঁজে বের করেছে। সেগুলো নিয়ে অনুশীলন করছে। এটা অনেক ভালো দিক, আমি চাই ও সব সময় এটা করে যাক। যেভাবে খেলছে, এটা সব সময় ধরে রাখুক। কিন্তু একটা সময় আবার খেলোয়াড়দের এমন সময় আসবে। কিন্তু সে যেন এই জিনিসটা ধরে রাখতে পারে। কীভাবে সে সফল হয়েছে, এটা যদি বুঝতে পারে, আমার মনে হয় সব সময় করতে পারবে জিনিসটা।’

রেকর্ড গড়া জয়ে বোলারদের প্রশংসাও করেছেন লিটন। মিরপুর টেস্টে মোট ১৪ উইকেট পেয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা। দেশের মাটিতে যা সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ। লিটন মনে করেন, এই গরমের মধ্যে ঘাসের উইকেটে বোলাররা যেভাবে বল করেছে তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার, ‘এই গরমের এমন উইকেটে বোলাররা যেভাবে বল করেছে তা দেখার অভিজ্ঞতাটা দুর্দান্ত ছিল।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments