ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ইচ্ছে হলো নিজেকে একটা ট্রিট দেওয়া যাক অথবা প্রিয়জনকে নিয়ে খেতে যাওয়ার ইচ্ছে। হতে পারে বন্ধুরা সব মিলে একসাথে খাবেন। নানা কারণেই ভালো একটি রেস্টুরেন্টে সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে খাওয়ার শখ থাকে অনেকের। সে মুহূর্ত আবার বাজেট ঠিক রাখা চাই। কিন্তু সমস্যা হলো অধিকাংশ রেস্টুরেন্টে খাবারের দাম চড়া। সেক্ষেত্রে কয়েকটি টিপস অনুসরণ করা যেতেই পারে।

আজকাল ব্যবসার প্রসারের জন্য রেস্টুরেন্ট নানা মার্কেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করে। সীমিত সময়ের এই পদ্ধতি অনেক সময় আপনার সুবিধা দিতে পারে। উইকডেতে কোনো একদিন সময় বের করে নিন। এই দিনগুলোতে ভালো কিছু অফার থাকে। রেস্টুরেন্টগুলো কাস্টমার ঘাটতি দূর করতেই এমন পদ্ধতির আশ্রয় নেয়। আপনি সহজেই ফেসবুক পেজের কিছু গ্রুপে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাবেন।
খাবার অর্ডারের জন্য সময় নিন। ওয়েটার এসে দাঁড়িয়ে থাকলে অস্বস্তিতে অনেকেই অর্ডার করে ফেলেন। তা না করে আপনি বলুন কিছুক্ষণ পর অর্ডার করবেন। আবার যদি আপনার ধারণা না থাকে ওয়েটারকে খাবার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন। পশ্চিমা দেশে অনেকে ওয়েটারকে বাজেট অনুযায়ী খাবার সাজেস্ট করার অনুরোধ করে। এটিও রেস্টুরেন্টের এটিকেটের মধ্যে পড়ে। আপনিও তা অনুসরণ করুন, সমস্যা তো নেই।
অনেক সময় কিছু রেস্টুরেন্ট পানির সঙ্গে বাড়তি বিল যোগ করে। আবার শেক বা অন্য পানীয় নিলে বাড়তি খরচ হয়। তাই প্রয়োজনের অতিরিক্ত পরিমান পানি না নেয়াই ভালো। এভাবে দিনে বৈচিত্র্য আসে আর খরচও কম হয়।
ডেজার্ট আইটেমে অনেক বেশি খরচ করতে হয়। অনেক সময় পুরো ডেজার্ট খাওয়াও যায় না, অপচয় হয়। রেস্টুরেন্টে ডেজার্ট না খেয়ে বাইরে কোনো মিষ্টির দোকান বাছাই করে সেখানে আলাদা অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। রেস্টুরেন্টেই নিজের সবকিছু বিনিয়োগ করার মানে নেই।
বন্ধুরা দলবেঁধে গেলে প্রথমে পরিকল্পনা করুন। সবাই যদি টাকা ভাগ করে নেয় তাহলে অনেক ভালো হয়। বন্ধুদের সঙ্গে লজ্জার প্রসঙ্গ অবান্তর। কেউ কম বা বেশি দিতেই পারে। অন্তত একসঙ্গে আয়োজনটি করলে আপনার জন্যই ভালো।
বার্গার, সাব বা অন্য কোনো খাবারের সঙ্গে এক্সট্রা প্যাটি, চিজ নেওয়ার সুযোগ থাকে। এক্সট্রা সসও নিতে পারেন অনেকে। এমনটা না করাই ভালো। এক্সট্রা নেওয়া মানেই বাড়তি যোগ হওয়া।
অনেক নতুন রেস্টুরেন্ট কুপন বিলি করে। অনেকে লজ্জায় কুপন দিয়ে পেমেন্ট করতে চান না। এটার প্রয়োজন নেই। উন্নত বিশ্বে অনেকেই গর্বের সঙ্গে কুপন বিক্রি করে। মানসিকতার এই জায়গায় আমরা পিছিয়ে আছি। যদি কোনো রেস্টুরেন্টে কুপন থাকে তাহলে অবশ্যই তা ব্যবহার করুন।
এছাড়া অনেক ব্যাংক নানা রেস্টুরেন্টের সঙ্গে চুক্তি করতে শুরু করেছে। সচরাচর ক্রেডিট কার্ডে চুক্তিবদ্ধ রেস্টুরেন্টে বিশেষ ডিসকাউন্ট থাকে। তবে ডেবিট কার্ডেও এই সুবিধা অনেক ব্যাংক চালু করেছে। আপনি যদি একটু খোঁজ নেন তাহলে এই অফারগুলো জানতে পারবেন। আর এই সুবিধা নিলে আপনার জন্যেই ভালো। অনেক সময় বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি অফারও পেয়ে যেতে পারেন।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এ.



























Recent Comments