
প্রাপ্ত তথ্য মতে, ওয়ান ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ০.৮৩ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.২৩ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বৃদ্ধি পেয়েছে ২৬০ শতাংশ।
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ০.৩৮ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.১১ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বৃদ্ধি পেয়েছে ২৪৫ শতাংশ।
এনসিসি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ০.৮৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৪০ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বৃদ্ধি পেয়েছে ১১০ শতাংশ।
ন্যাশনাল ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ০.৩১ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.১৫ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বৃদ্ধি পেয়েছে ১০৬ শতাংশ।
যমুনা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১.৪২ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৭০ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বৃদ্ধি পেয়েছে ১০৩ শতাংশ।
ব্যাংক এশিয়ার ইপিএস হয়েছে ১.১৬ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৫৯ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বৃদ্ধি পেয়েছে ৯৬ শতাংশ।
উত্তরা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১.৬৫ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৯২ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বৃদ্ধি পেয়েছে ৭৯ শতাংশ।
ডাচ বাংলা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১.৫১ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৯৫ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৯ শতাংশ।
ট্রাস্ট ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ০.৯৬ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৬৯ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৯ শতাংশ।
এছাড়া ঢাকা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ০.৬৮ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৫০ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির ইপিএস বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৬ শতাংশ।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/রানা
































Recent Comments