সোমবার, ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeস্বাস্থ্য বার্তাঠাকুরগাঁওয়ে ঠাণ্ডাজনিত রোগে হাসপাতালে বাড়ছে শিশু ভর্তি
spot_img
spot_img

ঠাকুরগাঁওয়ে ঠাণ্ডাজনিত রোগে হাসপাতালে বাড়ছে শিশু ভর্তি

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: কয়েক দিন ধরেই ঠাকুরগাঁওয়ে বইছে উত্তুরে হাওয়া, কমছে তাপমাত্রা। শীতের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে বাড়ছে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা। শিশুদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। ঠাণ্ডা, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অনেক শিশু। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগী বাড়ছে। এসব রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে শিশুদের জন্য শয্যা রয়েছে ৪৫টি। শুক্রবার পর্যন্ত ৯৫ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশই ঠাণ্ডায় আক্রান্ত।

আজ শনিবার সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, হাসপাতালে আসনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি রোগী ভর্তি আছেন। শয্যা না পেয়ে ওয়ার্ডের মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা।

রোগীর স্বজনরা জানান, শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে শীতের বিভিন্ন রোগ। অনেক মা-বাবা জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন।

ঠাকুরগাঁও সদরের কহরপাড়া গ্রাম থেকে আসা হোসেন আলী বলেন, ‘আমার দেড় বছরের ছেলের কয়েক দিন ধরে ঠাণ্ডা লেগেছে। দুই দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। শয্যা না পাওয়ায় ওয়ার্ডের বারান্দায় চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, কয়েক দিন ধরে ঠাকুরগাঁওয়ের তাপমাত্রা কমে এখন শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। আজ শনিবার জেলার তাপমাত্রা ছিল ১১.২ ডিগ্রি। গতকাল শুক্রবার ঠাকুরগাঁওয়ের তাপমাত্রা ছিল ১২.৩ ডিগ্রি।

হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. সাজ্জাত হায়দার শহিন বলেন, ‘এই এলাকায় প্রচণ্ড শীত হওয়ায় শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আমাদের এখানে শিশু ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা ৪৫ জনের হলেও এখন প্রতিদিন ২ শতাধিক শিশু চিকিৎসাধীন থাকছে। তাদের মধ্যে সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। শীতকালে বিশেষ করে শিশু ও নবজাতকের ঠিকমতো যত্ন না নেওয়ার ফলে এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। তাই শীতে গরম পোশাকের ব্যবহার বাড়ানোসহ শিশুদের বাড়তি যত্ন নিতে হবে।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments