ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ওয়ানডে ক্রিকেটের জন্য তামিম মাস্ট। তাকে আনডাউটলি প্রয়োজন আছে। তার প্রয়োজন আছে কি না বিগত নয়টা খেলাতেই আমরা দেখেছি। ফলে ক্রিকেট বোর্ডের কাছে আমার জিজ্ঞাসা- আপনারা তামিম সাহেবকে অফ করে দিয়ে তানজিম ও লিটন দাস সাহেবকে নিলেন, আল্লাহ মাফ করুক তাদের মধ্যে যে কোনো একজন যদি ইনজুরিতে পড়তো ব্যাকআপ হিসেবে কাকে নিয়েছিলেন? প্রত্যেকটা টিমের ব্যাকআপ রয়েছে, বাংলাদেশের নেই!

পাঠক হয়তো বলবেন, আপনি তো সারা জীবন মারামারি করেছেন ক্রিকেটের কি বোঝেন? ভাই ক্রিকেট খেলেছি, অনেক কিছু বুঝি। এ বার যারা ওপেনিং খেলেছেন, বিশেষ করে তানজিম সাহেব যতগুলো খেলা খেলেছেন এর মধ্যে একটা খেলা ভালো করেছেন। তাছাড়া একটি খেলাতেও তিনি ভালো করতে পারেননি।
নাঈম সাহেবের কথা বলবো- তার একটি ব্যাপার আমি দেখেছি, তিনি যতগুলো খেলা খেলেছেন, এভারেজ একটা স্কোর আছে। বিশ-ত্রিশের মধ্যে স্কোর থাকে। তার কাছে আমার চাওয়া- আপনি ত্রিশের ঘরে যখন যাবেন তখন আপনি নরমাল খেলা খেলেন। ত্রিশটা নামুক, কুফাটাকে আগে পার করেন।
মাহমুদুল্লাহ সাহেবকে নিয়ে যে জগাখিচুরি হয়েছিল একটা সময় ধরাই হয়েছিল তাকে নেওয়াই হবে না। আল্লাহর কি অশেষ খেলা- ওই ভদ্রলোক টোটাল ওয়ার্ল্ড কাপে চমৎকার একটি এভারেজ করে এসেছেন। অন্যদের দিকে যদি তাকান তাহলে বলবো আমাদের হতাশ বললে ‘হতাশ’ নামক শব্দটাও দুঃখ পাবে।
বাংলাদেশ টিমের সব খেলোয়াড়দের কাছে আমরা আনডাউটলি কৃতজ্ঞ। কারণ আপনারা বিশ্বের দরবারে আমাদের পরিচিত করিয়েছেন। এখন যদি আমরা গুটিগুটি পা পা করে হাঁটার কথা ভাবি সেটা কিন্তু নেই। দু্ই যুগ পর আপনাদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা থাকতেই পারে। এবারের বিশ্বকাপে যা হয়েছে তা বিশ্রী থেকেও বিশ্রীতম! মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেতে চাই। এখানে যারা সিলেকশন বোর্ডে আছেন তাদের প্রতি একটু দৃষ্টি দেয়া উচিত। বাংলাদেশের প্লেয়াররা যখন ভালো খেলেন তখন সরকারের পক্ষ থেকে তাদের অনেক সুবিধা দেয়া হয়। পাশাপাশি যখন খারাপ খেলেন তখনও উচিত তাদের কিছুটা শাস্তি দেয়া। হতে পারে তাদের টাকার অঙ্ক কমিয়ে দেয়া। এটা হলে তারা একটু ভাববেন।
ক্রেকেট আমাদের আবেগ। এই পুরো একটা মাস টেলিভিশনের সামনে আগ্রহ নিয়ে বসে খেলা দেখেছি। এতটাই হতাশ হয়েছি- না পারি নিজেকে মারতে। দেখা গেছে বাসায় যারা লোকজন আছে তাদের সঙ্গে চিল্লাচিল্লি, ওয়াইফের সঙ্গে চিৎকার করা ছাড়া আর কোনো রাস্তা পাইনি। আপনাদের প্রতি অনেক বেশি প্রত্যাশা, অনেক বেশি ভালোবাসা। আপনাদের অনেক বেশি ভালোবাসি। যে কারণেই এতটা অভিমান! এতটা রাগ! আমরা আপনাদের দিকে তাকিয়ে থাকি।
আমরা একটা কথা বলি- এক জায়গায় থাকতে থাকতে আমাদের হিপ ভারি হয়ে যায়। সেই জায়গা থেকে বলি, যারা ক্রিকেটের এক জায়গায় দীর্ঘদিন রয়েছেন তাদের সরিয়ে ভালো কিছুর জন্য তৈরি করুন।
স্ট্যাম্প ভেঙে ফেলেছেন, রেফারিকে মারতে গেছেন, স্ট্যাম্প লাথি মেরে ভেঙে ফেলেছেন, ক্রিকেট সভ্য খেলা, সেখানে সাকিব সাহেব যা করেছেন- শোনেন আপনি খেয়াল রাখবেন, আপনি ক্রিকেটকে অসম্মান করলে ক্রিকেট আপনাকে অসম্মান করবে। তার প্রমাণ হলো এই ওয়ার্ল্ড কাপ।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.


































Recent Comments