
ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক:
উন্নত চিকিৎসা পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও নোভেল করোনার প্রকোপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিশ্বের তাবড় দেশগুলো। এমন পরিস্থিতিতে যুব সমাজের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তারা জানায়, নোভেল করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যা বেশি হলেও, অল্পবয়সি ছেলেমেয়েরা অজেয়, এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। বরং সমাজের স্বার্থে তাদেরও কোনও ঝুঁকি নেয়া উচিত নয়।
নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখনও পর্যন্ত বিশ্বে সাড়ে ১১ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ছুঁই ছুঁই। তা নিয়ে এদিন জেনেভা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিশ্বকে বার্তা দেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস অ্যাডহ্যানোম ঘেব্রিয়েসাস।
সেখানে যুব সমাজকে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। তার কথায়, সব প্রজন্মের মধ্য সংহতি রক্ষাই এই মহামারি রোখার একমাত্র চাবিকাঠি।
টেড্রস বলেন, আজ যুবসমাজকে বার্তা দিতে চাই আমি। বলতে চাই, আপনারা কেউ অজেয় নন। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সপ্তাহের পর সপ্তাহ আপনাদেরও হাসপাতালে থাকতে হতে পারে। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
খুব প্রয়োজন না পড়লে, এই অবস্থায় সবাইকে বাড়ি থেকে না বেরনোরই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সংক্রমণ রুখতে হলে এ ছাড়া উপায় নেই বলে জানান টেড্রসও।
তার কথায়, নিজে অসুস্থ না হলেও, এই পরিস্থিতিতে আপনার বাইরে যাওয়ার বেরনোর ওপর অন্য কারও জীবন-মৃত্যু নির্ভর করছে। ভাইরাস ছড়ানোর বদলে অনেকে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝছেন এবং এই বার্তা সবার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন, তার জন্য ধন্যবাদ।
করোনার জেরে মৃত্যুর নিরিখে সম্প্রতি চীনকেও ছাপিয়ে গেছে ইতালি। সেখানে এখনও পর্যন্ত ৪ হাজার ৩২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যাও ৫০ হাজার ছুঁইছুঁই। হু-র জরুরি বিভাগের ডিরেক্টর মাইকেল রায়ান জানিয়েছেন, ইতালিতে এখনও পর্যন্ত যত জন কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের প্রতি তিন জনের মধ্যে দু’জনের বয়সই ৭০-এর আশেপাশে। আনন্দবাজার।






























Recent Comments