সোমবার, ১৬ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeঅর্থনীতিব্যাংকের লেনদেন সময়সূচিতে পরিবর্তন আসছে: প্রভাব পড়বে পুঁজিবাজারে
spot_img
spot_img

ব্যাংকের লেনদেন সময়সূচিতে পরিবর্তন আসছে: প্রভাব পড়বে পুঁজিবাজারে

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: আগামী ১ জুলাই বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে সারাদেশ। তাই ব্যাংকিং লেনদেনের সময়ও কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর ব্যাংকের লেনদেন সময়সূচি কমলে পুঁজিবাজারের লেনদেন সময়ও কমবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এখন আগের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন চলছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউন পালনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ওই সময়ে গণপরিবহন বন্ধের পাশাপাশি আরো অনেক বিধিনিষেধ থাকবে। ফলে ব্যাংক লেনদেন সীমিত করা হবে। অবশ্য ওই সময় ব্যাংকের কোন কোন শাখা খোলা থাকবে, আগামী বুধবারের মধ্যে সেটা জানিয়ে দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, গত ১৩ এপ্রিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তা দিয়ে শাখা পরিচালনার নির্দেশনা আছে। এ ছাড়া কোন কোন শাখা খোলা রাখা যাবে সে ব্যাপারেও নির্দেশনা আছে।

একই সঙ্গে ব্যাংক কর্মকর্তাদের পরিবহনের ব্যবস্থা করার জন্যও ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী বুধবার পর্যন্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে। তবে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে সীমিত হয়ে যাবে ব্যাংক সেবা।

জানা যায়, আগামী ১ জুলাই থেকে সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত ব্যাংকিং সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হতে পারে। এক্ষেত্রে লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রয়োজনে ২:৩০ পর্যন্ত খোলা রাখতে পারবে।

বিধি-নিষেধ চলাকালে ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়/প্রধান শাখাসহ সকল অনুমোদিত ডিলার (এডি) শাখা ও জেলা সদরে অবস্থিত ব্যাংকের প্রধান শাখা খোলা রাখতে হবে। সিটি কর্পোরেশন এলাকাধীন প্রতি ০২ (দুই) কিলোমিটারের মধ্যে একটি শাখা (এডি শাখা না থাকলে) খোলা রাখতে হবে। তাছাড়া, এ সময়ে উপজেলা পর্যায়ে কার্যরত প্রতিটি ব্যাংকের একটি শাখা বৃহস্পতিবার, রবিবার এবং মঙ্গলবার খোলা রাখতে হবে। ব্যাংকের কর্মকর্তা/কর্ম চারিদের স্ব স্ব অফিসে আনা-নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
গ্রাহকদের হিসাবে সর্বপ্রকার জমা এবং উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ, ট্রেজারি ালান গ্রহণ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাতা/অনুদান বিতরণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তঃশাখা অর্থ স্থানান্তর, এনআরবি বন্ডে এবং বিভিন্ন প্রকার জাতীয় সঞ্চয় সার্টিফিকেটের মেয়াদপূর্তীতে নগদায়ন ও কুপনের অর্থ পরিশোধ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ইউটিলিটি (যথা: গ্যাস/পানি/ বিদ্যুৎ/টেলিফোন) বিল গ্রহণসহ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমের/ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

এটিএম ও কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন চালু রাখার সুবিধার্থে এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যাংকিং সুবিধা সার্বক্ষণিক চালু রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এটিএম বুথগুলোতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা/স্যানিটাইজেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/নি.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments