সোমবার, ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeবিনোদনমেহজাবীনের নাম নিয়ে বিভ্রাট, জানলে চমকে উঠবেন
spot_img
spot_img

মেহজাবীনের নাম নিয়ে বিভ্রাট, জানলে চমকে উঠবেন

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: বিনোদন জগতের ছোট ও বড়— দুই পর্দার অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এক দশকেরও বেশি সময় ধরে শোবিজ অঙ্গনে কাজ করছেন। নাটক, বিজ্ঞাপন, ওয়েব সিরিজ ও সিনেমায় সমান জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী। কিন্তু জানেন কি জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর নাম স্পষ্টত ‘মেহজাবীন’ নয়। পরিবারেও তাকে ‘মেহজাবীন’ বলে ডাকা হয় না?

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানালেন— যাকে সবাই ‘মেহজাবীন’ বলে ডেকে থাকেন, আসলে তার নামের সঠিক উচ্চারণ মেহজাবীন যেখানে শেষের ‘ন’ উচ্চারিত হয় না।মেহজাবীন বলেন, শুরুতে হয়তো সবাই আমার নাম ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারেনি কিংবা আমি ঠিকমতো বোঝাতে পারিনি। কিন্তু তারপর মনে হয়েছে, যেটি সবাই ভালোবেসে ডাকছে, সেটাই থাকুক। তাই আমার নাম মেহজাবীন নয়, আসলে মেহজাবী।

অভিনেত্রী বলেন, আমার পরিবার ও আত্মীয়স্বজন আমাকে মেহজাবীন বলে ডাকে না। বরং তারা আমাকে ‘জেনিফার’ নামেই ডাকেন। বন্ধুরা ডাকেন ‘জেনি’ আর ভক্তরা ভালোবেসে ডাকেন ‘মেহু’ নামে।

তিনি অবশ্য ভক্তদের দেওয়া নাম খুব পছন্দ করেছেন এবং ভালোবাসেন বলে জানান অভিনেত্রী। বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব প্রায় সাত মাস পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন। দেশে ফিরেই একমাত্র সন্তান আয়াশকে এক বিশেষ সারপ্রাইজ দেন। তারই একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেন অপূর্ব, যা ঘিরে পরবর্তী সময়ে নেটিজেনদের মাঝে সৃষ্টি হয় নানা নেতিবাচক আলোচনা-সমালোচনা। সামাজিক মাধ্যমে অপূর্বর পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, গভীর ঘুমে থাকা আয়াশকে চমকে দিতে কাছে যান বাবা অপূর্ব। আয়াশের ঘুম ভাঙতেই বাবাকে দেখে সঙ্গে সঙ্গে জড়িয়ে ধরে আয়াশ; কান্না করে দেয়।

বাবা-ছেলের এই আবেগঘন মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আর এ নিয়ে শুরু হয় নেটিজেনদের মাঝে নেতিবাচক আলোচনা-সমালোচনা, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেতা। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এক ফেসবুক পোস্টে অপূর্ব লিখেছেন— কিছু মানুষের সত্য-মিথ্যার বোধ নেই, ন্যূনতম সম্মানবোধও না। কিছু মানুষের গসিপ আর মিথ্যার কারখানা সমাজকে বিষাক্ত করে তুলেছে। আর কিছু গড়পড়তা মানুষ, যারা যাচাই না করেই শেয়ার করেন, রিঅ্যাক্ট দেন এবং ভুল বিচার করে থাকেন। সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের ভালোবাসা নিয়েও চলে নোংরা বিচার ও আজেবাজে কথাবার্তা।

অপূর্ব আরও লিখেছেন—এটা শুধু লজ্জাজনকই নয়, চরম অমানবিকও। আর যারা এ কাজগুলো করে থাকেন, তাদের আমি কোনো জ্ঞান দিতে যাব না। কারণ যাদের পরিবার তাদের ভেতর কোনো মূল্যবোধ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে, যাদের সমাজ মানবিকতা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে; তাদের কোনো জ্ঞান দিয়ে লাভ হবে না। তিনি বলেন, যাদের মস্তিষ্ক, হৃদয়ে নেগেটিভিটির ক্যানসার, তাদের মা-বাবা তাদের সন্তানকে কতটা ভালোবাসে সেটি প্রমাণ করার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ এ অভাগারা জানে না প্রতিটা বাবা-মায়ের কাছেই তাদের সন্তান জীবনের সবচেয়ে বড় অংশ। তার প্রতিটি হাসি, প্রতিটি কান্না, প্রতিটি অর্জন— সবকিছু তারা নিজের হৃদয়ে অনুভব করে।

অপূর্ব বলেন, সন্তানের হাসি-কান্না তার প্রতিটা অনুভূতি পিতা-মাতার প্রতিটি দিনকে করে তোলে উজ্জ্বল ও অর্থবহ। তারা জানে না আপনি আপনার সন্তানকে যতটা ভালোবাসেন, অন্য একজন পিতা-মাতাও তার সন্তানকে ঠিক ততটাই ভালোবাসেন। নিজেকে উত্তম আর অন্যকে অধম ভাবার মতো অসুস্থতা থেকে আপনারা দ্রুত সেরে উঠুন, সেই প্রত্যাশা করি। এ অভিনেতা বলেন, আমার বা অন্য কারও সন্তান নিয়ে মনগড়া কোনো ভুল মন্তব্য করার আগে ভেবে নিন। আপনি যদি সত্য না জানেন, তবে নীরব থাকুন। কারণ কারও সন্তানের জীবন আপনার কনটেন্ট তৈরির ‘আইটেম’ নয়।

অপূর্ব বলেন, কিছু ভুঁইফোড়, নিচু মানসিকতার মানুষ ব্যস্ত অন্যের চরিত্র হননে। যারা এতটাই নিচ যে পিতা-পুত্রের গভীর ভালোবাসার মধ্যেও অন্য কিছু খোঁজার চেষ্টা করেন। মিথ্যা তথ্য আর গাঁজাখোরি বানানো গল্পের আশ্রয় নিয়ে ভিউ পাওয়ার আশায় সাধারণের কাছে এমন কিছু পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, যা দেখে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হোন আমার সন্তান ও আমার পরিবারের নামে। যারা চেষ্টা করেছেন সাংবাদিকতা নামক মহান পেশাকেও কলংকিত করতে এসব হঠাৎ গজিয়ে ওঠা ইউটিউব চ্যানেল বা পেজগুলো দিয়ে।

ভুয়া তথ্য ও গুজব ছড়ানো কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনজনকে শনাক্ত করে আনা হয়েছে, বাকিদেরও আইনের আওতায় আনা হবে শিগগিরই। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ইউনিটকেও ধন্যবাদ জানান অভিনেতা।

এদিকে একই ভিডিও নিয়ে অপূর্বর সাবেক স্ত্রী নাজিয়া হাসান অদিতিও ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন— আমার ছেলে আমার কাছেই থাকে। ও সবসময় ভালোবাসা ও যত্নের মধ্যে আছে। ভিডিও দেখে যারা ‘একা’ বা ‘একাকী’ বলছেন, তারা ভুল করছেন। নাজিয়া হাসান বলেন, আয়াশ নিয়মিত বাবার সঙ্গে দেখা করে এবং তার সুখকে সবসময়ই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/আ

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments