বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeবিনোদনসন্তানদের ফোন ব্যবহারে কড়া কারিনা, এ নিয়ে সইফের সঙ্গে তর্ক
spot_img
spot_img

সন্তানদের ফোন ব্যবহারে কড়া কারিনা, এ নিয়ে সইফের সঙ্গে তর্ক

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: সন্তানদের প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে বেশ কড়া কারিনা কপূর খান। দুই ছেলে তৈমুর ও জেহের হাতে মোবাইল ফোন তুলে দিতে নারাজ তিনি। এমনকি দীর্ঘ সময় গেম খেললে সন্তানদের হাত থেকে ফোন কেড়ে নিতেও দ্বিধা করেন না এই অভিনেত্রী। তাঁর এই বাড়তি সতর্কতা নিয়ে স্বামী সইফ আলী খানের সঙ্গে মাঝেমধ্যে মতবিরোধও হয়।

সম্প্রতি সন্তানদের বড় করে তোলা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন কারিনা। তাঁর দুই ছেলে তৈমুর ও জেহের বয়স এখন যথাক্রমে ৯ ও ৫ বছর।

তৈমুর ও জেহের হাতে মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ থাকে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে কারিনা জানান, তাঁদের নিজেদের ফোন ব্যবহারের অনুমতি নেই। তৈমুর অবশ্য তাঁর দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির ফোনটিকে নিজের ফোন বলে দাবি করে। বিষয়টি নিয়ে ছেলেকে স্পষ্টভাবে না করে দিয়েছেন কারিনা।

সন্তানদের প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কারিনা বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি কিছুটা বেশি চিন্তিত থাকেন। তবে তৈমুর মাঝেমধ্যে তাঁকেই প্রশ্ন করে—তাঁরা দুজন অর্থাৎ কারিনা ও সইফও তো ফোনে কথা বলেন। কিন্তু সন্তানরা যখন দীর্ঘ সময় গেম খেলে, তখন তাঁদের হাত থেকে ফোন কেড়ে নিতে হয় বলে জানান তিনি।

সন্তানদের প্রতি কারিনার এই কড়াকড়ি নিয়ে অবশ্য সইফের সঙ্গে তাঁর মতের অমিল রয়েছে। কারিনা জানান, সইফ মনে করেন তিনি বিষয়টি নিয়ে বেশি চিন্তা করেন এবং তাঁর আরও একটু শান্ত থাকা উচিত। অন্যদিকে কারিনার মত, সন্তানদের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির বিষয়ে তাঁকে আরও সতর্ক থাকতে হবে। তাঁর ভাষায়, সম্ভবত এটিই একমাত্র বিষয়, যা নিয়ে তাঁদের মধ্যে তর্ক হয়।

সন্তানদের শৈশব যতটা সম্ভব দীর্ঘ হোক, সেটিও চান কারিনা। তাঁর ইচ্ছা, ছেলেরা যত দিন সম্ভব ছোটই থাকুক।

মোবাইল ফোনের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কারিনা। সন্তানদের ওপর এই প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাব কী হতে পারে, তা তাঁকে ভাবায়।

কারিনার মতে, সময় ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা প্রয়োজন। তবে তা যেন বিপজ্জনক পর্যায়ে না পৌঁছায়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। তাঁর ভাষায়, প্রযুক্তির কিছু বিষয় নিষিদ্ধ করতে হবে, আবার প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু ক্ষেত্রে এআইকে কাজে লাগাতেও হবে।

দুই সন্তান এখনও ছোট হওয়ায় এ নিয়ে তাঁর উদ্বেগ আরও বেশি বলে জানিয়েছেন কারিনা। সন্তানদের ভবিষ্যতে প্রযুক্তির সঙ্গে কীভাবে পরিচয় করানো হবে, সেটিই এখন তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments