ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: দেশে সরকারিভাবে নতুন কোনো পাটকল স্থাপনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। তিনি বলেন, পাট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সরকারি নীতি সহায়তা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
সোমবার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।
পাটমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) অধীন ২৫টি পাটকলের মধ্যে বর্তমানে ৯টি মিল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন কার্যক্রম চালাচ্ছে। সরকার ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির আলোকে অবশিষ্ট মিলগুলোও ধাপে ধাপে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সেগুলো চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ২০২০ সালের ১ জুলাই সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিজেএমসির অধীন ২৫টি পাটকলের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং এর মধ্যে ২০টি মিল ইজারাভিত্তিক বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে ১৪টি মিলের ইজারা চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং এর মধ্যে ৯টি মিল চালু হয়েছে।
অবশিষ্ট মিলগুলোর বিষয়ে তিনি জানান, কয়েকটি মিলের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে, কিছু মিলের আগ্রহপত্র মূল্যায়নের কাজ চলছে এবং বাকিগুলোর ইজারা কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ইজারার বাইরে থাকা পাঁচটি মিলের মধ্যে তিনটি সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত হওয়ায় এবং দুটি মামলাজনিত কারণে লিজ কার্যক্রমের বাইরে রাখা হয়েছে।
পাটের উৎপাদন ও উন্নত জাতের বীজ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার ‘উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বলেও জানান তিনি। আগামী ৩০ জুন প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হবে। তবে একই ধরনের কার্যক্রম রাজস্ব বাজেটের আওতায় নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, সোনালি আঁশের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার এবং পাটশিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ




























Recent Comments