ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক আমাদের প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসই ধীরে ধীরে হাঁটুর উপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়া থেকে শুরু করে ভুল জুতা পরা, এমন বেশ কিছু বিষয় হাঁটুর স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত কিছু সহজ অভ্যাস বদলালেই হাঁটু সুস্থ রাখা সম্ভব।
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা: অফিসে বা বাড়িতে একটানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা হাঁটুর জন্য ভালো নয়। দীর্ঘ সময় নড়াচড়া না করলে উরু ও পায়ের পেশি দুর্বল হয়ে যায়। ফলে হাঁটুর জোড়ের উপর চাপ বাড়ে এবং শক্ত হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে উঠে হাঁটা বা হালকা স্ট্রেচিং করা জরুরি।
শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়া: শরীরের অতিরিক্ত ওজনের চাপ সরাসরি হাঁটুর উপর পড়ে। প্রতিদিন হাঁটা, সিঁড়ি ভাঙা বা দাঁড়ানোর সময় হাঁটুকে শরীরের ভার বহন করতে হয়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা হাঁটুর দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ভুল জুতা পরা: সবসময় হাই হিল, খুব টাইট জুত বা পর্যাপ্ত সাপোর্ট না থাকা জুত পরলে পায়ের স্বাভাবিক অবস্থান বদলে যেতে পারে। এর প্রভাব শুধু পায়ে নয়, হাঁটু, কোমর এবং পিঠেও পড়তে পারে। হাঁটা বা ব্যায়ামের সময় ভালো আর্চ সাপোর্ট ও কুশনিং রয়েছে এমন জুতা বেছে নেওয়া ভালো।
ভুল ভঙ্গিতে বসা বা দাঁড়ানো: দীর্ঘক্ষণ ভুল ভঙ্গিতে বসা বা দাঁড়ানোর অভ্যাস শরীরের অ্যালাইনমেন্টে সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে হাঁটু ও কোমরের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। তাই বসা, দাঁড়ানো কিংবা ব্যায়াম করার সময় শরীরের ভঙ্গির দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
পানি কম খাওয়া: পর্যাপ্ত পানি না খেলে শুধু তৃষ্ণাই বাড়ে না, পেশিতে টান ও ক্র্যাম্পের প্রবণতাও বাড়তে পারে। শরীরের পর্যাপ্ত হাইড্রেশন বজায় রাখা পেশি ও জোড়ের স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
হাঁটুর ব্যথা বারবার হলে সেটিকে বয়সের স্বাভাবিক সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। নিয়মিত হালকা শরীরচর্চা, সঠিক ওজন বজায় রাখা, পর্যাপ্ত পানি খাওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্রাম-এই অভ্যাসগুলি হাঁটুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে। ব্যথা দীর্ঘদিন থাকলে বা হাঁটাচলায় সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম
































Recent Comments