ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ভারতের দেওয়া ২২৯ রানের লক্ষ্য নাগালের বাইরে ছিল না তা প্রমাণ করে দিচ্ছিলেন ফারজানা হক ও রিতু মনি। প্রতি আক্রমণে তারা যেভাবে রান তুলছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল প্রথম ওয়ানডের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় তুলে নিতে পারে বাংলাদেশ। এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিততে পারে ওয়ানডে সিরিজ।

সেই আশায় বুক বাধছিল ভক্তরা এবং সুযোগও ছিল অসাধারণ অর্জনে নিজেদের রাঙিয়ে নেওয়ার। কিন্তু তালগোল পাকানো শেষ দিকের ব্যাটিংয়ে স্রেফ এলোমেলো স্বাগতিকরা।
২৮.৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৩ উইকেটে ১০৬ রান। সেখান থেকে স্কোরবোর্ডে মাত্র ১৪ রান তুলতেই শেষ ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ইনিংস শেষ হয়ে যায় ১২০ রানে। ১০৮ রানের বিশাল ব্যবধানে ম্যাচ জিতে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা আনল ভারত। ২২ জুলাই হবে সিরিজের শেষ ম্যাচ।
যে ব্যাটিং নিয়ে ছিল প্রবল আত্মবিশ্বাস সেই ব্যাটিংই ডুবাল দলকে। লম্বা ব্যাটিং লাইনআপ নিয়েও কোনো কাজ হয়নি এদিন। অবশ্য নিয়মিত দুইশর বেশি রান করার অভ্যাসও এই দলের নেই। সবশেষ ২০১৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২১১ রান তাড়া করে ১ উইকেটে জিতেছিল। যা এখনো রান তাড়ায় সর্বোচ্চ। আজ জিততে হলে নিজেদের অতীতের রেকর্ড ভাঙতে হতো। কিন্তু ব্যাটিংয়ে একদমই নিষ্প্রভ দিন কাটাল মেয়েরা।
দুই ওপেনার মুর্শিদা খাতুন (১২) ও শারমীন আক্তার (২) দ্রুত আউট হন। চারে ব্যাটিংয়ে নেমে লতা মণ্ডল সুবিধা করতে পারেননি। ফিরে যান ৯ রানেই। ৩৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া দলকে উদ্ধার করেন ফারজানা ও রিতু। চারে ব্যাটিংয়ে নামার কথা ছিল অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির। কিন্তু গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ায় জ্যোতি নামেন ছয়ে।
চতুর্থ উইকেটে জ্যোতি ও ফারজানা ৬৮ রানের জুটি গড়েন। মনে হচ্ছিল তাদের ব্যাটে চড়ে আরো দৃঢ় জবাব দেবে। কিন্তু দুই ব্যাটসম্যান পরপর দুই ওভারে ড্রেসিংরুমে ফিরলে পথ হারায় বাংলাদেশ। হাফ সেঞ্চুরি থেকে ৩ রান দূরে থাকতে ফারজানা স্ট্যাম্পড হন। পরের ওভারে ২৭ রানে আউট হন রিতু। এরপর বাকিরা এসেছেন আর ফিরেছেন। জ্যোতি নেমে ভালো করতে পারেননি। ৩ রানে আউট হন। বাকিরা সবাই ফিরেছেন সিঙ্গেল ডিজিটে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.

























Recent Comments