রবিবার, ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআন্তজার্তিকমুম্বাইয়ে আদানির ৬ হাজার কেজির লোহার সেতু চুরি: গ্রেপ্তার ৪
spot_img
spot_img

মুম্বাইয়ে আদানির ৬ হাজার কেজির লোহার সেতু চুরি: গ্রেপ্তার ৪

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ভারতের মুম্বাইয়ে একটি বড় নালার ওপর আদানি গ্রুপের বানানো ৬ হাজার কেজি ওজনের একটি লোহার সেতু চুরি হয়ে গেছে। মুম্বাইয়ের মালাদ পশ্চিম এলাকায় বানানো প্রায় ৯০ ফুট লম্বা সেতুটি গত মাসে চুরি হয়। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালাদ পশ্চিম এলাকার একটি বড় নালার ওপর দিয়ে আদানি গ্রুপের বিদ্যুতের লাইন নেওয়ার জন্য গত বছরের জুনে অস্থায়ীভাবে লোহার সেতুটি বানানো হয়েছিল। পরে যথাযথ অনুমোদনের পর চলতি বছরের এপ্রিলে সেখানে একটি স্থায়ী সেতু তৈরি করা হয়। আর পুরোনো অস্থায়ী লোহার সেতুটি খুলে ক্রেনের সাহায্যে মালাদ ব্যাক রোডে রাখা হয়।

পরিকল্পনা ছিল সুবিধাজনক সময়ে সেখান থেকে সেতুর অংশগুলো সরিয়ে নেওয়া হবে। তবে জুনের একদিন দেখা যায় সেতুর অংশগুলো আর সেখানে নেই। এমনকি সেগুলো কোথায় গেল সে সম্পর্কেও কিছু বলতে পারছে না কেউ।

সেতুর অংশগুলো যেখানে রাখা হয়েছিল, মালাদ ব্যাক রোডের সেই অংশে ছিল না কোনো সিসি ক্যামেরা। গত ২৬ জুন আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠান আদানি ইলেকট্রিসিটির প্রতিনিধিরা বুঝতে পারেন, সেতুর অংশগুলো যেখানে রাখা হয়েছিল সেখানে আর সেগুলো নেই। এ ঘটনায় ২৬ জুনই আদানি ইলেকট্রিসিটির পক্ষ থেকে থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। এফআইআরে লোহার সেতুটির কাঠামোর দাম উল্লেখ করা হয় ২ লাখ রুপি।

এফআইআর দায়েরের পর সেতুর হদিস বের করতে তদন্তে নামে মুম্বাই পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবে তারা ব্যাক রোডের অন্যান্য অংশ লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে। ১১ জুনের একটি ফুটেজে একটি বড় গাড়িকে সেদিকেই যেতে দেখা যায় যেখানে সেতুর অংশগুলো রাখা ছিল। পরে নিবন্ধন নম্বরের মাধ্যমে ওই গাড়িটি শনাক্ত করা হয়। জানা যায়, গাড়িটিতে গ্যাস কাটার মেশিন ছিল, যার সাহায্যে মোটা লোহার পাতগুলো কেটে গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

এ ঘটনায় সেতুটি নির্মাণে যে সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল, সেই সংস্থার এক কর্মীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদানি ইলেকট্রিসির এক মুখপাত্র জানান, মুম্বাই পুলিশের হস্তক্ষেপে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments