রবিবার, ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআন্তজার্তিক‘দূষিত’ ধোঁয়া ছড়ানোর অভিযোগে কানাডার ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
spot_img
spot_img

‘দূষিত’ ধোঁয়া ছড়ানোর অভিযোগে কানাডার ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: কানাডার নজিরবিহীন দাবানলের ধোঁয়া এবার আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও বাণিজ্য দ্বন্দ্বে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই ধোঁয়ার কারণে উত্তর আমেরিকার একাধিক প্রধান শহরের আকাশ এখন পুরোপুরি মেঘাচ্ছন্ন।

আমেরিকার বাতাস দূষিত হওয়ার অজুহাতে এবার প্রতিবেশী দেশ কানাডার ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সরাসরি হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে তিনি কানাডা সরকারের চরম প্রশাসনিক ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন।

গতকাল শুক্রবার (১৭ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বায়ুর মান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বর্তমানে কানাডায় ৮৯৬টি সক্রিয় দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়ছেন দেশটির দমকলকর্মীরা। এর মধ্যে প্রায় ২০০টি দাবানল জ্বলছে ওন্টারিও প্রদেশে। ওন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড জানিয়েছেন, সেখানকার ৮১টি আগুন এখনো সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডের জন্য সরাসরি কানাডার বন ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন। ট্রাম্প লিখেছেন, “কানাডা তাদের বন জঙ্গল এবং ঝোপঝাড় সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করছে না। এই ব্যর্থতার জন্য আমরা সরাসরি কানাডাকে দায়ী করছি।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র অনাবশ্যকভাবে নোংরা, দূষিত এবং অস্বাস্থ্যকর বাতাসে আক্রান্ত হচ্ছে। এই বাতাসের মান অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি খুব দ্রুতই এই বিষয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে কথা বলবেন। কানাডা সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘চরম অবহেলা’র অভিযোগ এনে ট্রাম্প দাবি করেন, এই ধোঁয়ার কারণে আমেরিকার যে ক্ষতি হচ্ছে, তার আর্থিক মূল্য হিসাব করা অসম্ভব। আর এই বিপুল পরিমাণ ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য কানাডা থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর চলমান শুল্কের সঙ্গে অতিরিক্ত শুল্ক যোগ করা হবে।

হোয়াইট হাউজে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প একের পর এক ইস্যুতে কানাডার ওপর চাপ বাড়িয়ে চলেছেন। তিনি প্রায়ই নিজের বিভিন্ন দাবি আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে শুল্ক বৃদ্ধির এই হুমকি দিয়ে থাকেন। এর আগেও সীমান্ত নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য নীতি পরিবর্তনের জন্য তিনি অটোয়ার ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। এমনকি একপর্যায়ে কানাডাকে সার্বভৌমত্ব ত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়ার নাটকীয় প্রস্তাবও দিয়েছিলেন এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments