ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: আমরা অনেকেই মেকআপ করার পর তা ভালো করে পরিষ্কারের দিকে মনোযোগ দেই না, কিন্তু এটি অত্যন্ত জরুরী। ধৈর্যের সঙ্গে যেমন মেকআপ করা হয়, তেমনই মুখ থেকে মেকআপ পরিষ্কার করাও ধৈর্য নিয়ে করতে হবে।
ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিলে মেকআপ ওঠে যায় না। এর জন্য আগে মেকআপ পরিষ্কার করতে হয়, তার পর ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে হয়। এই মেকআপ তুলতে কখনও মিসেলার ওয়াটার, কখনও ক্লিনজ়িং মিল্ক ব্যবহার করেন অনেকেই। এগুলো মুখ থেকে মেকআপ, ময়লা পরিষ্কার করে ঠিকই, পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতাও কেড়ে নেয়। আবার অনেকে পেট্রোলিয়াম জেলি, নারকেল তেলও ব্যবহার করেন। এগুলো কার্যকর হলেও, ক্লিনজিং অয়েলকে টেক্কা দেওয়ার মতো কেউ নেই।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে, ক্লিনজিং অয়েল কি? মেকআপ তোলার কাজে আসে ক্লিনজিং অয়েল। তেল ভিত্তিক সলিউশন হলো ক্লিনজিং অয়েল। এটি মেকআপের পাশাপাশি ত্বকের উপরিতলে থাকা ময়লা, ধূলিকণা পরিষ্কার করে দেয়। ত্বক পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে দুর্দান্ত কাজ দেয় ক্লিনজিং অয়েল।
ওয়াটার প্রুফ মেকআপ ব্যবহারের চলই এখন বেশি। মেকআপ যাতে দীর্ঘস্থায়ী হয়, সেই চেষ্টাই করে সকলে। তাই জেদি মেকআপকে তুলতে একটু কসরত করতেই হয়। মিসেলার ওয়াটার দিয়ে ওয়াটার প্রুফ মেকআপ তোলা একটু কঠিন। ত্বকের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। পাশাপাশি মিসেলার ওয়াটার ব্যবহারের জেরে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। এই সব সমস্যা ক্লিনজিং অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নেই। ক্লিনজিং অয়েল অতি সহজেই মেকআপ পরিষ্কার করে দেয় এবং ত্বকের আর্দ্রতাও ধরে রাখে।
তাই জেনে নেয়া যাক এর ব্যবহার-
কয়েক ফোঁটা ক্লিনজিং অয়েল নিয়ে ত্বকের উপর ম্যাসাজ করুন। এর পর তুলোর বল দিয়ে মুখ মুছে নিন। কিংবা ভিজে কাপড় দিয়ে মুখ মুছে নিন। একদম শেষে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। একবার ফেসওয়াশ ব্যবহারের পর সব মেকআপ, ময়লা নাও পরিষ্কার হতে পারে। তাই আরও একবার ফেসওয়াশ বা ক্লিনজ়ার দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এর পর টোনার ও ময়েশ্চারাইজ়ার মেখে নিন। এইভাবে মুখ থেকে মেকআপ পরিষ্কার করলে ফেইসের অনেক সমস্যার সমাধান হতে পারে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এস.


































Recent Comments