ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ভারতে নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ রোধে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ ব্যবস্থা এবং ড্রোন ব্যবহারের প্রস্তাব করেছে নয়াদিল্লি। সোমবার (২১ জুন) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুপ্রিম কোর্টকে এ কথা জানিয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ বৃদ্ধির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নারী আইনজীবী সমিতির দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলার জবাবে মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দিল্লি, মুম্বাই এবং অন্যান্য শহরের সাতটি রেলস্টেশন শিগরিরই এআই সিস্টেম দিয়ে সজ্জিত করা হবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পর্যবেক্ষণের জন্য স্বয়ংক্রিয় লাইসেন্স প্লেট স্বীকৃতি, স্মার্ট আলো ব্যবস্থা এবং ড্রোনের মতো অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মন্ত্রণালয় শীর্ষ আদালতকে জানিয়েছে, জাতীয় ডেটা শেয়ারিং অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ প্ল্যাটফর্মে সংবেদনশীল তথ্য রয়েছে – যার মধ্যে রয়েছে ধর্ষণ, স্টকিং এবং শিশু নির্যাতনের মতো বিভিন্ন যৌন অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের নাম, ঠিকানা, ছবি এবং আঙুলের ছাপের বিবরণ। বর্তমানে ডাটাবেসে ২০.২ মিলিয়ন এন্ট্রি রয়েছে, যা আন্তঃপরিচালিত ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেম ডাটাবেসের মাধ্যমে সারা দেশের সমস্ত থানা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অ্যাক্সেস করতে পারে।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, প্রযুক্তির সাহায্যে পুলিশ, আদালত, কারাগার, ফরেনসিক ল্যাব এবং প্রসিকিউশনকে একীভূত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টের নারী আইনজীবী সমিতি যুক্তি দিয়েছে, নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ মোকাবেলায় আরও পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, কারণ মন্ত্রণালয় বর্ণিত বিদ্যমান পদক্ষেপগুলো ‘বড় পরিবর্তন’ আনছে না।
ভারতের জাতীয় অপরাধ রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, ২০১৮ সালে ৫৮ লাখ নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে; ২০২২ সালে এই সংখ্যা ৬৬ লাখে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্ট অনুসারে, গত সপ্তাহেও সিনিয়র শিক্ষক বারবার যৌন হয়রানি করায় ২০ বছর বয়সী এক ছাত্রী অধ্যক্ষের অফিসের বাইরে নিজের গায়ে আগুন দিয়ে মারা যান।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.
































Recent Comments