বুধবার, ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeস্বাস্থ্য বার্তাপেটে গ্যাস আটকে তীব্র ব্যথা কেন হয়? কখন সতর্ক হবেন
spot_img
spot_img

পেটে গ্যাস আটকে তীব্র ব্যথা কেন হয়? কখন সতর্ক হবেন

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: হঠাৎ পেটে তীব্র ব্যথা হলে অনেক সময় এর কারণ হতে পারে অন্ত্রে গ্যাস আটকে যাওয়া। এই ব্যথা কখনও এতটাই বেশি হয় যে মনে হতে পারে, গুরুতর কোনো সমস্যা হয়েছে। গ্যাস আটকে গেলে কেন এত ব্যথা হয় এবং কীভাবে তা কমানো যায়, তা ব্যাখ্যা করেছেন অ্যানেসথেসিওলজিস্ট ও ব্যথা চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ডা. কুনাল সুদ।

ডা. সুদ ব্যাখ্যা করেন, অন্ত্রের ভেতর দিয়ে গ্যাস স্বাভাবিকভাবেই চলাচল করে। কিন্তু কোনো কারণে গ্যাস সাময়িকভাবে আটকে গেলে তা অন্ত্রের দেয়ালে চাপ সৃষ্টি করে এবং সেটিকে অনেকটা অতিরিক্ত বাতাসে ফুলে যাওয়া বেলুনের মতো প্রসারিত করে।

এই প্রসারণের ফলে ব্যথা-সংবেদনশীল স্নায়ু সক্রিয় হয়ে যায়। তখন পেটে মোচড়, পেট ফাঁপা এবং চাপের অনুভূতি তৈরি হতে পারে। ফলে গ্যাসের ব্যথা কখনও এতটাই তীব্র হতে পারে যে আক্রান্ত ব্যক্তির মনে হতে পারে, তিনি হয়তো কোনো জরুরি চিকিৎসাজনিত সমস্যায় পড়েছেন।

ব্যথা এক জায়গায় স্থির থাকে না

চিকিৎসকদের মতে, অন্ত্রের ভেতর গ্যাস ক্রমাগত চলাচল করে বলে ব্যথার স্থানও পরিবর্তিত হতে পারে। কখনও পেটের এক অংশে, আবার কখনও অন্য অংশে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। ব্যথা ঢেউয়ের মতো আসা-যাওয়াও করতে পারে। সুখবর হলো, গ্যাস আবার চলাচল শুরু করলে সাধারণত ব্যথাও ধীরে ধীরে কমে যায়।

কী করলে অস্বস্তি কমতে পারে?

গ্যাস চলাচলে সহায়তা করতে কয়েকটি সহজ পদক্ষেপ উপকারী হতে পারে। যেমন—

১. কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করা

২. হালকা শারীরিক নড়াচড়া করা

৩. পর্যাপ্ত পানি পান করা

৪. প্রয়োজনে মলত্যাগ করা।

এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে অন্ত্রের স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখতে সহায়তা মিলতে পারে এবং আটকে থাকা গ্যাস বের হয়ে গেলে অস্বস্তিও কমতে পারে।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?

তবে সব ধরনের পেটব্যথাকে গ্যাস বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে ব্যথা অত্যন্ত তীব্র হলে বা কমতে না চাইলে সতর্ক হওয়া জরুরি।

চিকিৎসকরা জানান, পেটব্যথার সঙ্গে জ্বর, দীর্ঘস্থায়ী বমি, মলের সঙ্গে রক্ত, অথবা পেট শক্ত ও অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এসব লক্ষণ গ্যাসের চেয়ে গুরুতর কোনো সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

তাই সাধারণ গ্যাসের ব্যথা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে হালকা হাঁটাচলা বা পানি পান করে উপকার পাওয়া গেলেও, তীব্র বা স্থায়ী পেটব্যথার ক্ষেত্রে নিজে থেকে কারণ নির্ধারণ না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments