রবিবার, ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeখেলা-ধুলাবিশ্বকাপ ফুটবল খেলা হবে সেন্সরযুক্ত বল দিয়ে, নিয়মিত চার্জও দিতে হবে
spot_img
spot_img

বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা হবে সেন্সরযুক্ত বল দিয়ে, নিয়মিত চার্জও দিতে হবে

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: আর কয়েক দিন পরেই যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে উন্মোচন করা হয়েছে টুর্নামেন্টের অফিশিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’। অ্যাডিডাসের তৈরি বলটি সচল রাখতে হলে নিয়মিত চার্জও দিতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি বলটির নকশায় তিন স্বাগতিক দেশের ঐতিহ্য ও পরিচয়ও তুলে ধরা হয়েছে।

স্প্যানিশ ভাষায় ‘ট্রাইওন্ডা’ শব্দের অর্থ ‘তিন ঢেউ’। বিশ্বকাপের তিন স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর প্রতীকী উপস্থাপন হিসেবেই বলটির এ নামকরণ করা হয়েছে। বলটির নকশায়ও স্থান পেয়েছে তিন দেশের পরিচয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে নীল, কানাডার জন্য লাল এবং মেক্সিকোর জন্য সবুজ রং। এ ছাড়া কানাডার ম্যাপলপাতা, মেক্সিকোর ইগল এবং যুক্তরাষ্ট্রের তারকা প্রতীকও যুক্ত করা হয়েছে বলের গায়ে। পুরো নকশায় ব্যবহৃত সোনালি রং বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর প্রতীক।

ট্রাইওন্ডার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত সংযোজন হলো এর ভেতরে থাকা ৫০০ হার্টজ গতির সংবেদনশীল সেন্সর চিপ। অ্যাডিডাসের তৈরি এই সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। ফলে বলে কোথায় স্পর্শ করা হয়েছে, বল কত গতিতে চলছে, কী পরিমাণ ঘূর্ণন তৈরি হচ্ছে এবং কোন দিকে যাচ্ছে—এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হবে। প্রায় ১৪ গ্রাম ওজনের সেন্সরটি বলের বাইরের দিকে থাকা একটি প্যানেলের মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে। ফিফা ও অ্যাডিডাসের দাবি, এটি বলের ওজন, ভারসাম্য, বাউন্স বা খেলোয়াড়দের খেলার অভিজ্ঞতায় কোনো প্রভাব ফেলবে না।
সেন্সরটি সচল রাখতে প্রতিটি ম্যাচের আগে বল চার্জ দিতে হবে। বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পূর্ণ চার্জে ব্যাটারিটি প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। ফলে ম্যাচের আগে অনুশীলন থেকে শুরু করে পুরো ম্যাচেই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোতে স্থাপিত উচ্চ গতির ক্যামেরা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে ট্রাইওন্ডা বলের সেন্সর প্রযুক্তি। এর ফলে বল ও খেলোয়াড়দের গতিবিধির তথ্য বিশ্লেষণ করে ম্যাচের একটি ত্রিমাত্রিক চিত্র তৈরি করা সম্ভব হবে।
জানা গেছে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০ বার করে বল ও খেলোয়াড়দের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব। ফলে অফসাইড কিংবা বল স্পর্শসংক্রান্ত বিতর্কিত মুহূর্তগুলো আরও দ্রুত ও নির্ভুলভাবে বিশ্লেষণ করা যাবে। এতে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাড়তি সহায়তা পাবেন।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments