মঙ্গলবার, ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeঅর্থনীতিমধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমতেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী
spot_img
spot_img

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমতেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে এখন সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্যই প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম সামান্য বেড়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের অনিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক চাহিদার গতিপ্রকৃতিই আগামী দিনে তেলের দামের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (জিএমটি ০০:৪৬) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৮ সেন্ট বা ০.৩৯ শতাংশ বেড়ে ৭২ দশমিক ২৯ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২৯ সেন্ট বা ০.২৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৮ দশমিক ৮৪ ডলারে উঠেছে। এর আগের দিন দাম ইরান সংঘাত শুরুর আগের পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছিল।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, তেলের সরবরাহ পুনরুদ্ধারের ফলে তাৎক্ষণিক ঝুঁকি কিছুটা কমেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি। ফলে বর্তমান যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে বাজার এখনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে বলেন, ওয়াশিংটন হয় ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে, নয়তো ‘কাজ শেষ করবে’। তার এই মন্তব্যকে নতুন করে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের নজর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার অগ্রগতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর নৌপরিবহন পরিস্থিতি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়ার দিকে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত জুন মাসে দৈনিক ৩৮ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করেছে। এটি এপ্রিল ২০২০ সালের পর সর্বোচ্চ উৎপাদন এবং ইরান সংঘাতের আগের সময়ের তুলনায়ও বেশি।

টিম ওয়াটারার বলেন, এখন বাজারের মূল নজর থাকবে চীনের তেলের চাহিদা পুনরুদ্ধারের ওপর। সরবরাহ বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যে দামে অনেকটাই প্রতিফলিত হয়েছে। তাই সামনে প্রকৃত চাহিদা প্রত্যাশা অনুযায়ী বাড়ে কি না, সেটিই তেলের দামের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করবে।

অন্যদিকে, রাশিয়াসহ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাস (OPEC+) আগস্ট থেকে দৈনিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা আরও ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জুন ও জুলাই মাসেও একই ধরনের উৎপাদন বৃদ্ধি কার্যকর করা হয়েছিল।

এ ছাড়া সৌদি আরব এশিয়ার ক্রেতাদের জন্য আগস্ট মাসে তাদের প্রধান আরব লাইট ক্রুডের সরকারি বিক্রয়মূল্য (ওএসপি) ওমান/দুবাই গড় মূল্যের তুলনায় ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৫০ ডলার কমিয়েছে। আগের মাসের তুলনায় এটি ১ দশমিক ১০ ডলারের হ্রাস, যা দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় মূল্যছাড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments